ঢাকা | জুলাই ২৩, ২০২৪ - ৫:২৫ পূর্বাহ্ন

স্কুল-কলেজে ক্লাস ২০ এপ্রিল পর্যন্ত

  • আপডেট: Monday, April 4, 2022 - 8:05 pm

 

অনলাইন ডেস্ক: রোজার মধ্যে স্কুল-কলেজে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত হলেও এই সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ক্লাস চলবে। সেই সঙ্গে সপ্তাহে দুদিন ছুটি থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত খোলা থাকবে। শুধুমাত্র রমজান মাসে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

এদিকে করোনাকালীন ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রমজানেও চলছে ক্লাস। রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল আগেই। একজন আইনজীবী রোজার সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিটও করেছেন।

শিখন ঘাটতি মোকাবিলায় রমজান মাসে ক্লাসের সিদ্ধান্ত- শিক্ষা প্রশাসনের এই কথার বিপরীতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকরা বলছেন, চৈত্রের গরমে রোজা রেখে ক্লাস নেওয়া অমানবিক। এতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতির হার কমে আসতে পারে।

এর আগে জানানো হয়েছিল সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রমজানে ২০ দিন ক্লাস নেওয়ার পর ২২ এপ্রিল ছুটি হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়। আর মাধ্যমিক থেকে উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত।

গত শুক্রবার বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর সপ্তম বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘সবাই চাইছে রমজানে গরম, ক্লাস বন্ধ রেখে দেন। আসলে তো এখন ক্লাস করা খুবই দরকার। দুটো বছর শ্রেণিকক্ষে ক্লাস হয়নি। আর সেজন্য এখন শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করতে না পারলে তাদের জন্য সিলেবাস শেষ করা কষ্টকর হয়ে যাবে। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে মিলিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ক্লাসও ২২ এপ্রিল থেকে বন্ধ করার কথা ভাবা হচ্ছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেছিলেন, ‘দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় রমজানে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সামনে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষাও আছে।’

তবে এই ছুটি কিছুটা এগিয়ে আনার চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানান অধ্যাপক নেহাল। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ও একমত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’