ঢাকা | অক্টোবর ১৬, ২০২৬ - ১:০৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

অনলাইন জেন্ডার সহিংসতা প্রতিরোধে রাজশাহীতে মিডিয়া ক্যাম্পেইন

  • আপডেট: Thursday, October 15, 2026 - 10:10 pm

স্টাফ রিপোর্টার: অনলাইনভিত্তিক জেন্ডার সহিংসতা, সাইবার বুলিং ও ডিজিটাল হয়রানি প্রতিরোধ এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহীতে জেলা পর্যায়ের মিডিয়া ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজশাহী বোয়ালিয়া ক্লাবে লাইট হাউজ এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে। সুইজারল্যান্ড, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং জিএফএ কনসালটিং গ্রুপের পরিচালনায় বাস্তবায়িত সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-এর আওতায় লাইট হাউজের ‘নাগরিক অধিকার ও জলবায়ু ন্যায্যতা’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে জেন্ডার অ্যাক্টিভিস্ট, নাগরিক সমাজের সংগঠন (সিএসও) এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক সংগঠনগুলোর (সিবিও) সক্ষমতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লাইট হাউজের নাগরিক অধিকার ও জলবায়ু ন্যায্যতা প্রকল্পের টিম লিডার মো. সালাহ উদ্দিন। সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কো-অর্ডিনেটর সিদ্দিকুল আলম মামুন। প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) আখতার জাহান সাথী। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক তাঞ্জিমা জোহুরা হাবিব বিষয়ের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, রাজশাহীর সহকারী পরিচালক মাহবুবা সুলতানা; সদর সার্কেলের অফিসার ইনচার্জ রওশনারা বেগম; পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের উপপরিদর্শক তামান্না বিলতেকা লামসহ সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী, যুব প্রতিনিধি, ভুক্তভোগী, ধর্মীয় নেতা, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আখতার জাহান সাথী বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণে যে কেউ যেকোনো সময় অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার হয়রানির শিকার হতে পারেন। অনলাইনভিত্তিক জেন্ডার সহিংসতা, সাইবার বুলিং ও ডিজিটাল হয়রানির ঘটনা বাড়তে থাকায় নারী, কিশোর-কিশোরীসহ অনেকেই মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এসব সহিংসতা প্রতিরোধের পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করতে লাইট হাউজের সমন্বিত উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি।

বক্তারা বলেন, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার, গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রযুক্তির ন্যায়সংগত ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অনলাইন সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রচারাভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।