ঢাকা | সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ - ১১:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম

বাগমারায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

  • আপডেট: Wednesday, September 23, 2026 - 10:08 pm

বাগমারা প্রতিনিধি: বাগমারায় সাবমার্সিবল পাম্প (মোটর) বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুল জব্বারের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে পৃথকভাবে তিনটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

গত সোমবার বাসুপাড়া ইউনিয়নের বালানগর গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন ও মাড়িয়া ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের মৃত নজের আলী প্রামানিকের ছেলে আব্দুল মজিদ প্রামানিক এবং গত মঙ্গলবার এলাকার ভুক্তভোগীদের পক্ষে ভবানীগঞ্জ পৌরসভার দানগাছী মহল্লার বাসিন্দা আক্কেল আলী প্রামানিক পৃথক পৃথকভাবে অভিযোগগুলি করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাগমারার ১৬ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার গরিব ও অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে সম্প্রতি ১৯২টি সাবমার্সিবল পাম্প (মোটর) সরকারিভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়। এই কাজ বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পান বরগুনার এক ঠিকাদার। কিন্তু প্রকৌশলী আব্দুল জব্বার ওই ঠিকাদারের কাছে থেকে প্রকল্পের কাজ কিনেনেন।

এরপর তার পছন্দমত ঠিকাদারের মাধ্যমে ওই সব সাবমার্সিবল পাম্প বরিংয়ের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে অফিসের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী কাউকেই কাজ পরিদর্শনের দায়িত্ব না দিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে পিভিসি বরিং থেকে শুরু করে প্লাটফর্ম পর্যন্ত ড্রয়িং ডিজাইন ফলো না করে নিজের ইচ্ছামত কাজ করা হয়েছে।

অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুল জব্বার বলেন, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাবমার্সিবল পাম্প বিতরণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কোন অনিয়ম করা হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিজু তামান্না বলেন, এই ঘটনায় পৃথকভাবে তিনটি অভিযোগ পেয়েছি। সেইসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে কথাও হয়েছে। কাজেই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।