ঢাকা | জুন ১, ২০২৬ - ১:১৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

রাজশাহী কলেজের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব: ভূমিমন্ত্রী

  • আপডেট: Sunday, May 31, 2026 - 11:21 pm

স্টাফ রিপোর্টার: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, রাজশাহী কলেজ আমাদের সবার কাছে মায়ের মতো। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি কেবল বাংলাদেশ বা এই উপমহাদেশেই নয়, বরং সারা বিশ্বে এক সুমহান সম্মানের অধিকারী এবং এর সন্তান হওয়া অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

রাজশাহী কলেজ ও রাজশাহী কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে গতকাল রোববার কৃতী শিক্ষার্থীদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, যে জাতি বা যে প্রতিষ্ঠান তার কৃতী সন্তানদের স্বীকৃতি ও সম্মান দেয় না, সে জাতি কখনও উন্নত হতে পারে না। তিনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মেধার স্বাক্ষর রেখে তারা যেন বিশ্বের সেবা করে এবং সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করে পুনরায় মাতৃভূমির সেবায় আত্মনিয়োগ করে।

রাজশাহী কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে কলেজের জন্য একটি নতুন আধুনিক অ্যাকাডেমিক ভবন এবং অডিটোরিয়াম নির্মাণ করা হবে। এছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা সমাধানে রানী হেমন্ত কুমারী হিন্দু ছাত্রাবাসটিকে আরও বড় পরিসরে সংস্কার করার পরিকল্পনা রয়েছে। মন্ত্রী কলেজের খেলার মাঠটি সংস্কার করে আরও আধুনিক করার বিষয়েও আশ্বাস প্রদান করেন এবং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ফান্ডে আর্থিক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, উপাধাক্ষ্য আবু মো. ইউনুছ আলী, রাজশাহী কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান, রাজশাহী কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি চৌধুরী সাইদুর রহমান কোয়েল ও সম্পাদক ডা. তাহসিনা শামীম তাসু। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবকগণ, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে ২০২৫ ব্যাচের মোট ৩৪২ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়, যারা মধ্যে ৮১ জন দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, ৬৬ জন বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে, ২০ জন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ১৭৫ জন বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।