ঈদের ছুটিতে রাজশাহীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপচেপড়া ভিড়
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ঈদের ৪র্থ দিনেও দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের দিন বিকালে ভিড় তুলনামূলক কম থাকলেও গতকাল রোববার পর্যন্ত পরবর্তী ৩ দিন ছিল ব্যাপক ভিড়।
রাজশাহীতে ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় স্থানগুলো হলো পদ্মার পাড় (টি-বাঁধ, আই-বাঁধ ও লালনশাহ পার্ক), কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা এবং শহীদ জিয়া শিশু পার্ক, ভদ্রা পার্ক। এছাড়া বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর এবং শহীদ মিনার চত্বরেও দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষনীয়।
বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে নগরীর বিনোদন পার্কসহ দর্শনীয় স্থানগুলো। ঈদের তিনদিন পরও বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক ভিড় ছিল। তবে বিনোদন পার্কে প্রবেশ টিকিট ও বিভিন্ন রাইডে উঠা টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে বিনোদন পার্কে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা চরম বেকায়দায় পড়েন।
বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষরা বছরের দুই ঈদে বাচ্চাদের নিয়ে পার্কে আসেন। ফলে তাদের আয় কম হওয়ায় এই খাতে বাজেট কম থাকে। নিম্ন আয়ের মানুষরা উচ্চ মূল্যে টিকিট কিনে বাচ্চাদের পুরোপুরি আনন্দ দিতে পারছেন না। বিনোদন কেন্দ্রে প্রবেশ করলেও বিভিন্ন রাইডে বাচ্চাদের চড়াতে পারছেন না। এতে মন কষ্ট নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন তারা।
রাজশাহী শহীদ জিয়া শিশু পার্কে সরেজমিনে ঘুরে এবং দর্শনার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শহীদ জিয়া শিশু পার্কে প্রবেশ মূল্য প্রতিজন ৩০ টাকা। এই পার্কের ভিতরে প্রতিটি রাইডে আলাদা টিকিট মূল্যে রয়েছে। প্রতিটি রাইডের প্রবেশ মূল্যে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। ফলে পার্কে প্রবেশ করে বাচ্চাদের শখ পূরণ করতে কমপক্ষে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা ব্যয় হবে।
এছাড়া বিভিন্ন স্থান থেকে বিনোদন কেন্দ্রে আসতে পরিবহণ বাবাদ আরো ৫০০ টাকা ব্যয় হয়। যা একজন নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে সম্ভব না। ফলে দর্শনার্থীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তবে রাজশাহী পদ্মাপাড়ে মুক্তস্থানে কোন টিকিট না থাকায় সেখানে ছোট-বড় সব বয়সী মানুষের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।
এদিকে, ঈদ উপলক্ষে নগরীতে চলাচল করা ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশার চালকরা যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন, যা যাত্রীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। তবে ঈদের কারনে যাত্রীরাও উচ্চ বাচ্চ না করে বাড়তি ভাড়া দিচ্ছেন।











