ঢাকা | জুন ১, ২০২৬ - ১:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

সাপাহারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ও বাসিন্দাদের ওপর হামলা-ভাঙচুর, আহত ১

  • আপডেট: Sunday, May 31, 2026 - 11:10 pm

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার তিলনা ইউনিয়নের চন্দুরা আশ্রয়ণ গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর ছেলে আরিফ বিল্লাহ (২৮) বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চন্দুরা আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাঝখানে অবস্থিত একটি সরকারি খাসপুকুর নিয়ম অনুযায়ী আশ্রয়ণবাসী ইজারা পান। এর পর থেকেই তাদের সেখান থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে একটি পক্ষ নানা ষড়যন্ত্র করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ মে (রোববার) দুপুর ১২টার দিকে তিলনা ইউনিয়নের চন্দুরা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে খয়বর আলী (৪০), আব্দুস সাত্তারের ছেলে রফিকুল ইসলাম রুবেল (৩৫), জামাল উদ্দিন (৬৫), মৃত বাক্সের ছেলে হারুন (৫০), আব্দুল গফুর (৫০), মৃত মোতালেবের ছেলে মোখলেস (৪০), মৃত রায়হানের ছেলে আলহাজ জুয়েল (৪২), হেলাল হোসেন (৩৬), জিল্লুর রহমানের ছেলে করিম (৪০) এবং কিনা মন্ডলের ছেলে ফজলুসহ (৪৫) অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত লাঠিসোঁটা নিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পে হামলা চালায়।

এ সময় দুর্বৃত্তদের বাধা দিতে গেলে দেলোয়ার নামের এক আশ্রয়ণবাসী পিটিয়ে রক্তাক্ত ও জখম করা হয়। হামলাকারীরা আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৭টি বসতবাড়ির মধ্যে ১০টি বাড়ির দরজা ও ঘরের টিন ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। এ ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলেও হামলার পর থেকে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং ভীতি প্রদর্শন করায় কেউ তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে সাহস পাচ্ছে না বলে ভুক্তভোগী বাসিন্দারা দাবি করেছেন।

হামলার বিষয়ে অভিযুক্তদের অন্যতম হারুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভাঙচুরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে পুকুরটি নিয়ে বিরোধের কথা স্বীকার করে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে আপস-নিষ্পত্তির আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হামলা বা ভাঙচুরের বিষয়টি এখনো আমার জানা নেই। তবে অভিযোগের বাদীকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।