ঢাকা | নভেম্বর ১, ২০২৬ - ১:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

রাজশাহীর বাজারে কমেছে সবজির দাম, ক্রেতাদের স্বস্তি

  • আপডেট: Sunday, November 1, 2026 - 12:17 am

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর বাজারে সরবরাহ বাড়ায় শীতকালীন সবজিসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। এতে ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে মাছ, মাংস, মুরগি ও ডিমের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি; এসব পণ্যের দাম এখনো তুলনামূলক চড়া রয়েছে।

গতকাল শনিবার নগরীর সাহেববাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি কেজি ডায়মন্ড আলু ২০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৭০ টাকা, দেশি শসা ৭০ টাকা, বিদেশি শসা ৪০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৩৫ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা এবং বরবটি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া শীতকালীন সবজির মধ্যে প্রতি কেজি শিম ৮০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, ফুলকপি ৪০ টাকা, পাতাকপি ৪০ টাকা, জলপাই ৩০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা এবং পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পুঁইশাক, পালংশাক, লালশাক ও ধনেপাতাসহ বিভিন্ন শাকের দামও কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে এবং প্রতি পিস লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। তবে মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, দেশি মুরগি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারে দেশি মুরগির ডিম প্রতি হালি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ৭০ টাকা, ফার্মের লাল ডিম ৪৮ থেকে ৫০ টাকা এবং সাদা ডিম ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে রুই ২৬০-৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ও পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০-২২০ টাকা, চাষের শিং ৩০০-৩৫০ টাকা, টেংরা ৫৫০-৬৫০ টাকা, বোয়াল ৬০০-৮০০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০-৯০০ টাকা এবং কোরাল ৭০০-৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার করতে আসা আব্দুল আউয়াল মজুমদার বলেন, সবজির দাম সহনীয় পর্যায়ে আসায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছ-মাংস কিনতে অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় ইচ্ছেমতো কেনাকাটা করা সম্ভব হচ্ছে না।