রাজশাহী নগরীর বাজারে মাছ-মুরগির দাম চড়া, স্বস্তি সবজিতে
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি ও মাছ। ব্রয়লার, লেয়ার ও দেশি মুরগিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দাম বাড়তি থাকায় দৈনন্দিন কেনাকাটায় চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। তবে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় অধিকাংশ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে, যা ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে।
শনিবার নগরীর সাহেববাজারসহ বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। মুরগি বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, পোল্ট্রি ফিডের মূল্যবৃদ্ধি ও খামারের লালন-পালন খরচ বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পাইকারি বাজারে পড়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
ডিম ও মাছের বাজারের চিত্র পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, ফার্মের লাল ডিম প্রতি হালি ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, সাদা ডিম ৪৪ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ৭৫ থেকে ৮০ টাকা এবং হাঁসের ডিম ৭০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে প্রতি কেজি রুই ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০, তেলাপিয়া ও পাঙাশ ১৭০ থেকে ২০০, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০ এবং চাষের শিং ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া টেংরা ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ এবং চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে মাছ-মাংসের বিপরীত চিত্র দেখা গেছে সবজির বাজারে। বাজারে শসা প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, আলু ২০ থেকে ২৫, পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০, পটল ৩০ থেকে ৩৫, ঢেঁড়স ৩৫ থেকে ৪০, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ এবং বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া কাঁচামরিচ ৯০ থেকে ১০০ টাকা এবং নতুন শীতকালীন শিম ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, বাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দাম নাগালের মধ্যেই রয়েছে। তবে নতুন ও মৌসুমি কিছু সবজির দাম কিছুটা বেশি। বাজারে কেনাকাটা করতে আসা গৃহিণী নাসিমা বেগম জানান, সবজির দর সহনীয় থাকলেও মাছ ও মুরগির উচ্চমূল্যের কারণে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোকে বিকল্প হিসেবে কাটছাঁট করে সংসার চালাতে হচ্ছে।
সোনালী/জগদীশ রবিদাস











