ঢাকা | অক্টোবর ৭, ২০২৬ - ২:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

রাজশাহীতে ৪৮৯ মণ্ডপের জন্য ২৮৯ টন চাল বরাদ্দ

  • আপডেট: Tuesday, October 6, 2026 - 11:00 pm

স্টাফ রিপোর্টার: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে রাজশাহী মহানগরী ও জেলার ৯টি উপজেলায় জাঁকজমকপূর্ণ প্রস্তুতি চলছে। উৎসব নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে এ বছর জেলার ৪৮৯টি পূজামণ্ডপের অনুকূলে সর্বমোট ২৮৯ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

রাজশাহী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, মহানগর এলাকার ৮৫টি এবং ৯টি উপজেলার ৪০৪টি মণ্ডপের প্রতিটির জন্য ৬০০ কেজি করে চাল সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বরাদ্দের চাল ইতোমধ্যে এসে পৌঁছেছে এবং অতিরিক্ত আরও ৭টি মণ্ডপের জন্য চাল চাওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) মাধ্যমে এসব চাল মণ্ডপ কর্তৃপক্ষের কাছে বিতরণ সম্পন্ন হবে।

জেলা ত্রাণ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছরের তুলনায় এবার জেলায় পূজামণ্ডপের সংখ্যা ১৭টি বেড়ে ৪৮৯টিতে দাঁড়িয়েছে (গত বছর ছিল ৪৭২টি)। এর মধ্যে বাগমারা উপজেলায় সর্বোচ্চ ৮৬টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া তানোরে ৫৯টি, পুঠিয়ায় ৫৫টি, বাঘায় ৪৮টি, গোদাগাড়ী ও চারঘাটে ৪২টি করে, মোহনপুরে ২৫টি, দুর্গাপুরে ২৪টি এবং পবা উপজেলায় ২৩টি মণ্ডপে দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে।

এদিকে উৎসবের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসায় মণ্ডপে মণ্ডপে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা। খড়, বাঁশ ও মাটির প্রাথমিক কাজ শেষে এখন চলছে শিল্পীদের মনের মাধুরী মেশানো রঙ-তুলির নিপুণ ছোঁয়া। আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসব।

পূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির (পিপিএম) জানান, মেট্রোপলিটন এলাকার ১০৯টি মণ্ডপে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। প্রতিমা তৈরির স্থানগুলোতেও সার্বক্ষণিক নজরদারি রয়েছে। এর পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপ কমিটি ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সহায়তা নিয়ে সার্বিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হচ্ছে।

সোনালী/জগদীশ রবিদাস