ঢাকা | সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ - ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

সাপাহারে মাদ্রাসায় শিক্ষক ১৫, শিক্ষার্থী ৪ জন

  • আপডেট: Sunday, September 6, 2026 - 10:07 pm

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহারে করমুডাঙ্গা জোয়াকিয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর চেয়ে দ্বিগুণ শিক্ষক নিয়ে চলছে কার্যক্রম।

গত মঙ্গলবার দুপুরে সরজমিনে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, শুধুমাত্র দশম শ্রেণীতে চারজন শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান করাচ্ছেন একজন শিক্ষক। বাকি সব শ্রেণিকক্ষে নেই কোন শিক্ষার্থী। কাগজ কলমে শত শত শিক্ষার্থী থাকলেও বাস্তবে এর কোন মিল নেই। ১৫ জন শিক্ষকের পাঠদানে প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী। আছে শিক্ষক, আছে শ্রেণিকক্ষ নেই শুধু শিক্ষার্থী।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সুপার মোজাম্মেল হক এর দেয়া তথ্য মতে কাগজ কলমে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৯৯ জন। এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ছাত্র ৫৮ ছাত্রী ১৪ জন, সপ্তম শ্রেণীতে ছাত্র  ৩৭ জন ছাত্রী ৭ জন, অষ্টম শ্রেণীতে ছাত্র ৪৬ জন ছাত্রী ১৩ জন। নবম শ্রেণীতে ছাত্র ৪৬ জন ছাত্রী ৯ জন, দশম শ্রেণীতে ছাত্র ৬০ জন ছাত্রী ৯ জন। যা বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই।

ওই মাদ্রাসার নিকটতম স্থানীয় জনসাধারণ জানান, মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রী না থাকার পরও শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীর সংগ্রহের চেষ্টা না চালিয়ে মাসের পর মাস বেতন তুলে খাচ্ছেন, ১৫ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী প্রতি মাসে বেতন ৪ লাখ ৮১ হাজার ৮৫৬ টাকা।

শুধু সরকারের টাকায় খাচ্ছেন না ধ্বংস করে দিচ্ছেন একটি প্রতিষ্ঠানকে। আরো জানা যায় মাদ্রাসাটিতে আলেম শাখা ২০০১ সালে অনুমোদন পেলেও তার কোন কার্যক্রম নেই।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, সন্তোষজনক ফলাফল না হওয়ায় স্থগিত করে দিয়েছে। তিনি শিক্ষার্থী না থাকার বিষয়ে বলেন আমাদের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী আছে কিন্তু কয়েকটি ক্লাস করার পরে চলে যায় আর আসে না, অনেকে টিফিন পিরিয়ডে একেবারে চলে যায়, অনেকে বিভিন্ন অজুহাতে ছুটি নেয়।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামসুল কবির এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।