ঢাকা | সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ - ১১:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

তানোরে-বায়া সড়কের সংস্কার কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ চরমে

  • আপডেট: Saturday, September 5, 2026 - 9:41 pm

তানোর প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোর কাশেম বাজার থেকে বায়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির সংস্কার কাজ এক বছরেও শেষ হয়নি। ফলে, ঝুঁকি নিয়েই চলতে হচ্ছে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ট্রাক ও বাসসহ সব ধরনের যানবাহন।

প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। বিশেষ করে বাগধানী থেকে বায়া পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানি জমে কোথাও কোথাও সড়ক পরিণত হয়েছে কাদামাটির জলাশয়ে।

সংশ্রিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তানোর কাশেম বাজার থেকে বাগধানী ও বাগধানী থেকে বায়া পর্যন্ত সড়কটি সংস্কারের জন্য ২০২৫ সালের ১৫ জুন উদ্বোধন করা হয়। ২টি প্যাকেজে সড়ক ২০ ফিট প্রশস্ত ও শক্তিশালী করণের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ড্রেন, কালভার্টের কাজও প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। কাশেম বাজার থেকে বাগধানী পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজ প্রায় ৬৫ শতাংশ শেষ হওয়ার তথ্য দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাগধানী থেকে বায়া পর্যন্ত সড়কের অর্ধেক কাজও হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হিমালয় কোল্ড স্টোরেজের দেয়াল ঘেঁষা সড়কের পাশের ড্রেনের একটি অংশ দখল করে কাঠ-খড়ির ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে, পানি স্বাভাবিক ভাবে নিষ্কাশিত হতে পারছে না।

তাদের দাবি, সড়কের পাশে নতুন করে তৈরি করা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় পানি যাওয়ার পথ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের ওপর পানি জমে যায়। দীর্ঘসময় পানি জমে থাকায় সড়কের পিচ ও ভিত্তি দুর্বল হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ আরও দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ড্রেন দখলের অভিযোগটি সরেজমিনে মাপজোক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। বায়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সড়কটি ব্যবহার করতে হচ্ছে। পানি ও কাদায় অনেক জায়গায় পায়ে হেঁটে চলাও কঠিন হয়ে পড়েছে। সংস্কার ও উন্নয়নকাজ চলমান থাকার পরও বায়া থেকে বাগধানী পর্যন্ত সড়কের কিছু অংশ বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দিনের বেলায় কোনোভাবে যানবাহন চলাচল করলেও রাত ও বৃষ্টির সময় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। গর্তে পানি জমে থাকায় কোনটি অগভীর আর কোনটি গভীর তা বোঝার উপায় থাকে না। একই সঙ্গে সড়কের দুই পাশের ড্রেন সরকারি জায়গার মধ্যে পড়লে তা জরিপ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশ জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।