বড়াইগ্রামে গাছ কাটা নিয়ে সংঘর্ষে পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন আহত
বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রামে ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি থেকে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে আপন চাচাতো-জেঠাতো ভাইদের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের কুমরুল পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন- উপজেলার কুমরুল গ্রামের মৃত কফির উদ্দিনের স্ত্রী রাশিদা বেগম (৭০), ছেলে- রেজাউল করিম (৪০), বড় মেয়ে মিনা বেগম (৫০), ছোট মেয়ে নার্গিস বেগম (৩২) এবং রেজাউল করিমের ভগ্নিপতি কালিকাপুর গ্রামের লালু প্রামাণিকের ছেলে উপ-পরিদর্শক জাকির হোসেন (৪৩) এবং রফিকুল ইসলামের ছেলে মোক্তার হোসেন (৫০) ও সাহাবুল ইসলাম (৪০)। আহত জাকির হোসেন বর্তমানে জয়পুরহাট থানায় কর্মরত আছেন। আহতদেরকে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রেজাউল করিম ও মোক্তার হোসেনের মধ্যে ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শনিবার রেজাউল ও তার স্বজনরা ওই জমির মেহগনি গাছ কাটতে যান। এ সময় মোক্তার ও তার ভাইয়েরা বাধা দিলে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের সাতজন আহত হন।
এ ব্যাপারে রেজাউল করিম বলেন, ওয়ারিশসুত্রে ওই জমি আমাদের। কিন্তু আমরা যখনই গাছ কাটতে যাই, তারা বাধা দেয়। আজও গাছ কাটতে গেলে তারা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে।
প্রতিপক্ষ মাহাবুর ইসলাম জমি ও গাছ তাদের দাবি করে বলেন, এ গাছ আমরাই লাগিয়েছি। তারা জোর করে কেটে নিচ্ছিল। আমরা বাধা দিতে গেলে মারামারিতে দুই পক্ষেই আহত হয়েছে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।











