ঢাকা | অগাস্ট ৩০, ২০২৬ - ৩:২৯ পূর্বাহ্ন

চারঘাটে স্বজনদের হামলায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন দুইজন

  • আপডেট: Saturday, August 29, 2026 - 10:44 pm

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর চারঘাটে অসুস্থ্য মাকে ঔষধ খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে ছোট ভাই ও তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজনের পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়ে আহত অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সুমন আলী ও তার এক মাত্র ভগ্নীপতি হামিদুল ইসলাম।

গত শুক্রবার দিনগত রাত ৩ টার দিকে সংবাদ পেয়ে আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুজনকে পুলিশ উদ্ধার করে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে ভর্তি করে। উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের কামীনি গ্রামে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাটি নিশ্চিত করে চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, কামীনি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সুমন ও সুজন। তারা দুভাই অসুস্থ্য মাকে নিয়ে বসবাস করেন। দীর্ঘদিন ধরে সুমনের মা অসুস্থ্য থাকায় তাকে ঔষুধ খাওয়ানোর কথা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি পরে ঝামেলা সৃষ্টি হয়।

পরে সুমনের বোন ও তার স্বামী শুক্রবার রাতে বাড়িতে ঝামেলা মিমাংসা করতে আসেন। এসময় সুজন মাকে দেখতে না দিয়ে ঘরে তালা মেরে বন্দি করে রাখে, বোন প্রতিবাদ করলে সুজন তার বাড়ীর পাশেই শ্বশুর বাচ্চুকে লোকজন নিয়ে আসতে বলে।

সংবাদ পেয়ে বাচ্চু মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, লালন আলীসহ দলবল নিয়ে এসে কোন কথা বলার আগেই লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র হতে সুমন ও এক মাত্র ভগ্নীপতি হামিদুল ইসলামের ওপর হামলা চালায়। এসময় সুমন ও হামিদুলের মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বোন শাহানা বাধা দিলে তাকেও বেধড়ক মারধর করা হয়।

এসময় রাস্তায় ফেলে হামিদুল ইসলামের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর এবং তার পকেটে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। খবর পেয়ে চারঘাট মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহত সুমন, হামিদুল ও শাহানাকে উদ্ধার করে রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।

চারঘাট হাসপাতালের আরএমও ডা: মিলটন কুমার বলেন, আহতদের মধ্যে সুমনের মাথায় ২৫টি ও হামিদুলের মাথায় ৬টি সেলাই করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।