ঢাকা | সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ - ১১:১৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম

সমঝোতার পর রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশে বাস চলাচল শুরু

  • আপডেট: Saturday, September 5, 2026 - 9:45 pm

স্টাফ রিপোর্টার: নাটোরের বাস মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে সমঝোতার পর রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন রুটে আন্তঃজেলা বাস চলাচল শুরু হয়েছে। এতে গত কয়েক দিন ধরে চলা পরিবহন সংকটের অবসান ঘটায় স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১২টা থেকে পুনরায় বাস চলাচল শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন।

এর আগে রাজশাহী ও নাটোরের বাস মালিক-শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে গত শুক্রবার সকাল থেকে রাজশাহী হয়ে দেশের বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে রাজশাহী বাস টার্মিনালে আটকা পড়েন শত শত যাত্রী। জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষকে এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাজশাহী থেকে দর্শনাগামী ‘রাব্বি পরিবহন’-এর একটি বাস নাটোরে আটকে দেন স্থানীয় বাস মালিক ও শ্রমিকরা। এর প্রতিবাদে রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও সড়ক পরিবহন গ্রুপ নাটোরে চলাচলকারী ‘তুহিন পরিবহন’-এর কয়েকটি বাস আটকে রাখে।

পরবর্তীতে আটকে রাখা বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হলেও দুই জেলার পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের জেরে রাজশাহী থেকে হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি রাজশাহী থেকে কিছু বাস ছেড়ে গেলেও নাটোরে সেগুলো আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর ফলে ঢাকা, কুষ্টিয়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও রংপুরসহ বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েন।

রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা লিটন জানান, নাটোর হয়ে দেশের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাসগুলো পুঠিয়া পর্যন্ত গিয়ে ফিরে আসছিল। নাটোর জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা বাসগুলোকে নাটোর অতিক্রম করতে দিচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় পরিস্থিতি নিরসনে প্রশাসনের উদ্যোগে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।

পরে প্রশাসন ও ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুর হস্তক্ষেপে নাটোরের বাস মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়। সমঝোতার পরপরই রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা হয়। বাস চলাচল শুরু হওয়ায় রাজশাহী বাস টার্মিনালে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দীর্ঘ সময় ধরে ভোগান্তিতে থাকা যাত্রীরা এখন নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হতে পারছেন। তবে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দুই জেলার বাস মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যকার এই বিরোধের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হবে।