ঢাকা | নভেম্বর ৬, ২০২৬ - ১:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

রাজশাহীতে ভগ্নস্তূপেই উদযাপন হলো ঋত্বিক ঘটকের জন্মবর্ষ, ভিটা সংরক্ষণের দাবি

  • আপডেট: Thursday, November 5, 2026 - 9:57 pm

স্টাফ রিপোর্টার: উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক কুমার ঘটকের ১০১তম জন্মবর্ষ উদযাপিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে তাঁর পৈতৃক বসতভিটায় (যার একটি অংশ বর্তমানে রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহৃত) নানাবিধ কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁর জন্মদিবস পালন করে ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটি।

বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সদস্য রিয়া করিমের সঞ্চালনায় এবং উৎসব কমিটির আহ্বায়ক মাহমুদ হোসেন মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় ও গণসংগীত, প্রদীপ প্রজ্বলন, স্মরণ আলোচনা ও ঋত্বিকের বিখ্যাত চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন কমিটির সদস্য সচিব ও বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান। সংগীত পরিবেশন করে খেলাঘর আসর রাজশাহী।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. শিখা সরকার, রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল কিবরিয়া, জেলা কালচারাল অফিসার ড. ফারুকুর রহমান ফয়সল, ডিরেক্টরস্ অ্যান্ড অ্যাক্টরস্ গিল্ডের সভাপতি ওয়ালিউর রহমান বাবু এবং সেলুলয়েড ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি সীমা আক্তার।

বক্তারা বলেন, ঋত্বিক কুমার ঘটক বাংলা চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন। তাঁর নির্মিত ‘মেঘে ঢাকা তারা’, ‘সুবর্ণরেখা’, ‘কোমল গান্ধার’, ‘অযান্ত্রিক’ ও ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্লাসিক হিসেবে গণ্য হয়। তিনি ১৯২৫ সালের ৪ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।

বক্তারা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট এই কালজয়ী নির্মাতার স্মৃতিবিজড়িত বসতভিটাটি ভেঙে ফেলা হয়, যা একটি অত্যন্ত নিন্দনীয় অপরাধ। অনুষ্ঠান থেকে সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়—পৈতৃক বসতবাড়ি ভাঙার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, ভিটার অবশিষ্টাংশ (০.১৬০৩ একর জমি) অবমুক্ত করে ইজারা বাতিল করতে হবে এবং সেখানে ‘ঋত্বিক কমপ্লেক্স’ ভবনের অধীনে ‘ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র কেন্দ্র’, ইনস্টিটিউট, সংগ্রহশালা ও আর্কাইভ গড়ে তুলতে হবে।

সোনালী/জগদীশ রবিদাস