পাবনায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসা পরিচালক আটক, প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর
পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার পরিচালক আবু ইউসুফকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ।
এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের ভাউডাঙ্গা কালুরপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘নুরে মদিনা আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায়’ এ ঘটনা ঘটে। আটক আবু ইউসুফ আতাইকুলা থানার খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুবের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ইসায় প্রামাণিকের বাড়ি ভাড়া নিয়ে আবু ইউসুফ কয়েক বছর আগে ওই মহিলা মাদ্রাসা গড়ে তুলে সেটি পরিচালনা করতেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক নিজের শয়নকক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় ওই শিক্ষার্থীর এক সহপাঠী ঘটনাটি দেখতে পেয়ে বাইরে গিয়ে চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্ত পরিচালককে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবু ইউসুফকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ভাড়া বাড়িতে গড়ে ওঠা মাদ্রাসাটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালান এবং অগ্নিসংযোগ করেন।
পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির চাচা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মাদ্রাসাটিতে আবু ইউসুফের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও বসবাস করতেন। ঘটনার দিন সকালে তিনি তাঁর স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন বলে জানান স্থানীয়রা।











