ঢাকা | অক্টোবর ১, ২০২৬ - ১১:৩২ অপরাহ্ন

শিরোনাম

পুঠিয়ায় পাইলট কর্মসূচিতে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন ১ হাজার ১২৪ কৃষক

  • আপডেট: Thursday, October 1, 2026 - 10:19 pm

পুঠিয়া প্রতিনিধি: পুঠিয়ায় কৃষক কার্ডের পাইলট কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ১২৪ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনুমোদিত এসব কৃষক কৃষক কার্ড পাবেন। তবে সরকারের নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী, ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক অর্থাৎ যাদের জমির পরিমাণ ২৪৯ শতকের কম, তাঁরা কৃষি উপকরণ কেনার জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভর্তুকি পাবেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। একই সময়ে দেশের নির্বাচিত উপজেলা ও কৃষি ব্লকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এর অংশ হিসেবে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে প্রজেক্টরের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, পুঠিয়ার তারাপুর কৃষি ব্লকের ১ হাজার ১২৪ কৃষক এ কর্মসূচির আওতায় রয়েছেন। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্যভান্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি কৃষি উপকরণ কেনায় আর্থিক সহায়তা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর পাইলট প্রকল্পের আওতায় ৪৩ লাখ কৃষকের তথ্যভান্ডার তৈরির কাজ চলছে। প্রথম ধাপে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাইলট পর্যায়ে উদ্বোধনের দিনে দেশের ৫৬ জেলার ৭৭টি উপজেলার ৭৭টি কৃষি ব্লকের ১ লাখ ৪৭ জন কৃষককে কৃষি উপকরণ কেনার জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে।

পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান। সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইসরাফিল হক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহী অঞ্চলের উপ-পরিচালক সাবিনা বেগম এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন পুঠিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাস সুমিত, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার, পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনসুর রহমান মাস্টার, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পৌর মেয়র আসাদুল ইসলাম আসাদসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক ও কৃষকরা।

সোনালী/জগদীশ রবিদাস