ঢাকা | সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ - ১:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

দেশে এনে শেখ হাসিনার বিচার দেখতে চাই: রাজশাহীতে এনসিপি নেতারা

  • আপডেট: Wednesday, September 23, 2026 - 10:32 pm

স্টাফ রিপোর্টার: কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সভানেত্রী ভারত থেকে যে হুঙ্কার দিচ্ছেন, তাতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিন্দুমাত্র বিচলিত নয় বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন।

তিনি বলেন, এনসিপি চায় শেখ হাসিনা যেন অবিলম্বে দেশে ফিরে আসেন এবং বাংলাদেশের মাটিতেই যেন তাঁর ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়।

বুধবার দুপুরে রাজশাহী নগরীতে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে রাজশাহী জেলা এনসিপি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইমরান ইমন তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বর্তমান প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরাও স্পষ্টভাবে চাই তিনি ফিরে আসুন। তিনি ভারত থেকে যে হুঙ্কারই দিন না কেন, তাতে আমরা বিচলিত নই। আমাদের দাবি সুনির্দিষ্ট—জুলাই বিপ্লবের অপরাধে তাঁর যে মৃত্যুদণ্ড ঘোষিত হয়েছে, এ দেশের মাটিতেই সেটির বাস্তবায়ন দেখতে চায় জনগণ।

স্বৈরাচারী শাসনের বিচার দাবির পাশাপাশি তিনি বিদেশে অবস্থানরত বাকি অপরাধীদের ফেরানোর তাগিদ দেন। তিনি বলেন, স্বৈরাচারের দোসরদের জন্য আমাদের বার্তা খুবই পরিষ্কার। বিদেশে পালিয়ে থাকা প্রত্যেকেকেই ফিরিয়ে এনে পূর্ববর্তী সমস্ত অপকর্ম ও অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা হবে। তবে আওয়ামী লীগের নিরপরাধ কর্মী ও সমর্থকদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলে জানান এই এনসিপি নেতা।

দলীয় প্রধানের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছেন—আওয়ামী লীগের যারা কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং জুলাই আন্দোলনে জনগণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, এমন অনেকেই আছেন। এমনকি ছাত্রলীগেরও অনেকে আমাদের গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে ছিলেন। এই নিরপরাধ অংশটি চাইলে এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন এবং আমরা তাঁদের সাদরে গ্রহণ করব।

রাজশাহী জেলা এনসিপির আহ্বায়ক এম এ সবুরের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব নাহিদুল ইসলাম সাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রনিউর রহমান। সভায় জেলা ও মহানগর এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।