ঢাকা | সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ - ১১:৪৭ অপরাহ্ন

১১ ট্রেন ইজারা দেবে পশ্চিমাঞ্চল রেল, ৪টির দরপত্র জমা সম্পন্ন

  • আপডেট: Sunday, September 20, 2026 - 10:47 pm

স্টাফ রিপোর্টার: রাজস্ব ঘাটতি কাটিয়ে উঠে লাভজনক ধারায় ফিরতে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আরও ১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন বেসরকারি খাতে ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪টি ট্রেনের দরপত্র দাখিল সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি ট্রেনগুলোর দরপত্র পর্যায়ক্রমে আহ্বান করা হবে।

রেল কর্তৃপক্ষের আশা, ইজারা হস্তান্তরের মাধ্যমে এসব ট্রেন লোকসান কাটিয়ে রাজস্ব বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যেসব ট্রেনের দরপত্র দাখিল সম্পন্ন হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে পার্বতীপুর-রংপুরের মধ্যে চলাচলকারী ‘রমনা কমিউটার’, বোনারপাড়া জংশন থেকে পার্বতীপুরের ‘রামসাগর মেইল’, লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারীর ‘বুড়িমারী কমিউটার’ এবং পার্বতীপুর-লালমনিরহাট রুটের ‘লালমনি কমিউটার’।

পরবর্তী ধাপে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের মধ্যে চলাচলকারী ‘পূর্ণভবা’ ও ‘মল্লিকা’ ট্রেনের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে ৬টি আন্তর্জাতিক (ভারত), ৬২টি আন্তনগর, ৫৫টি মেইল ও কমিউটার এবং ১২টি লোকাল ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২৪টি মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেন বেসরকারি অপারেটরদের কাছে ইজারা দিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয় করছে রেলওয়ে।

নতুন করে আরও ১১টি ট্রেন বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিলে বছরে মোটা অঙ্কের লোকসান কমবে এবং আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পশ্চিমাঞ্চল রেলে মোট ৭ জোড়া অর্থাৎ ১৪টি ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে।

ট্রেনগুলো ইজারা দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া জানান, লোকাল ও মেইল ট্রেনগুলো থেকে প্রত্যাশিত রাজস্ব না পাওয়ার মূল কারণ যাত্রীদের টিকিট কাটতে অনীহা। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে সব ট্রেনে সঠিকভাবে টিকিট চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করাও সম্ভব হয় না, ফলে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি তৈরি হয়।

তিনি বলেন, রাজস্ব বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪টি ট্রেনের দরপত্র জমা পড়েছে। পর্যায়ক্রমে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ‘পূর্ণভবা’ ও ‘মল্লিকা’সহ বাকি ট্রেনগুলোরও দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ইজারা দেওয়া হবে।