রাজশাহীজুড়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ১৭৮ জন গ্রেপ্তার
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশ ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পৃথক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের বিভাগীয় অভিযানে ১৫২ জন এবং মহানগর পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন ধরণের মাদকদ্রব্য।
রাজশাহী রেঞ্জ কার্যালয়ের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জের বিভিন্ন জেলায় মোট ১৪৫টি অভিযান পরিচালনা করে ১৫২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে পরোয়ানামূলে ৬৫ জন, সাজাপ্রাপ্ত ১৪ জন, তদন্তাধীন মামলায় ৬৭ জন এবং অন্যান্য (তিরোধমূলক) অপরাধে ৬ জন রয়েছেন।
এছাড়া মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ৩ গ্রাম হেরোইন, ১১৭ পিস ইয়াবা, ১৫৪ পিস ট্যাপেন্টাডল, ২ বোতল বিদেশি মদ, ১ কেজি গাঁজা ও ১২ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জের জেলাগুলোতে ১টি খুন, ১টি দস্যুতা, সাইবার সুরক্ষা আইনে ২টি, ৫টি চুরি, ১টি নারী ও শিশু নির্যাতন এবং অন্যান্য খাতে ৪৬টিসহ মোট ৫৬টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এছাড়া অপমৃত্যুর শিকার হয়েছেন ৪ জন।
অন্যদিকে, রাজশাহী মহানগরীতে মহানগর পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পৃথক অভিযানে মহানগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে ২৩ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত ৯ জন, মাদক মামলায় ১০ জন এবং অন্যান্য মামলায় ৪ জন রয়েছেন। এর পাশাপাশি রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে শীর্ষ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ১১টার দিকে মহানগর গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল দামকুড়া থানার নতুন মধুপুর বটতলা এলাকায় আক্তার হোসেন ববির (৫০) বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে ৬৫০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করে।
তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তার সহযোগী গোদাগাড়ীর মো. সুরুজ (৪৩) পালিয়ে যায়। একই দিন রাত সোয়া ৯টার দিকে পবা থানা পুলিশ ঘোলহাড়িয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মো. সুজন আলীকে (২৯) ৫০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ এবং বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শাহমখদুম থানা পুলিশ ডাবতলা থেকে সিটিহাট এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে মুশফিকুর রহমান আকাশকে (২৫) ১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করে।
রাজশাহী পুলিশের পাঠানো পরিসংখ্যানে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের কাছে মোট ১০৬২ জন সাধারণ মানুষ সেবা গ্রহণ করেছেন এবং চলতি মাসে এই সেবাগ্রহীতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৬৭৬ জনে। গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।











