বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অপচয় কমানোর দাবিতে নগরীতে নাগরিক সংলাপ
স্টাফ রিপোর্টার: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অস্বচ্ছ চুক্তি, অদক্ষতা ও অনাবশ্যক ব্যয় কমিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেন, এ খাতের অতিরিক্ত ব্যয়ের খেসারত শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাকেই দিতে হয়। তাই নীতি প্রণয়নে জনস্বার্থ ও জ্বালানি সুবিচারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বুধবার রাজশাহীর একটি হোটেলে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) রাজশাহী জেলা আয়োজিত ‘ক্যাব প্রস্তাবিত ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর নীতি ও জ্বালানি সুবিচার’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এসব কথা বলা হয়। ক্যাব রাজশাহী জেলা সভাপতি কাজী গিয়াসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাবের গবেষণা সমন্বয়কারী প্রকৌশলী এমএএম গোলাম কিবরিয়া। সংলাপে ক্যাবের উপদেষ্টা দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক লিয়াকত আলী, সদস্য সোনারদেশ সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাতসহ বিভাগীয় ক্যাব নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংলাপে বক্তারা বলেন, দেশের জ্বালানি সংকট এখন শুধু সরবরাহে নয়, প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। কিছু কেন্দ্র উৎপাদনে না থেকেও সক্ষমতা বাবদ টাকা পাচ্ছে, যা অন্যায়। এ সময় ক্যাবের পক্ষ থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি ১২ দফা প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। সরকারি সেবা মুনাফামুক্ত করা, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, আমদানি-নির্ভরতা কমানো এবং বাসাবাড়িতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়। মুক্ত আলোচনায় রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁর বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে জ্বালানি খাতের অনিয়ম ও অপরাধ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের জোর দাবি জানান।











