ঢাকা | সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ - ১১:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম

পবায় গ্রাম আদালতে সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা

  • আপডেট: Monday, September 14, 2026 - 10:28 pm

স্টাফ রিপোর্টার: পবা উপজেলার দামকুড়া থানার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে শালিস বৈঠক চলাকালে এক স্থানীয় সাংবাদিককে মারধর, শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টা ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাংবাদিক জিয়াউল কবির বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে দামকুড়া থানায় মামলা করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, হরিপুর মৌজার সোনাইকান্দি জঙ্গলপাড়া এলাকার একটি জমি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে শালিস বৈঠক বসে। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুসফিকুর রহমান রাসেলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বিচার চলাকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগের একটি মামলার আসামি আজিজুর রহমান ও শহিদুল ইসলামকে ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত কয়েকজন আসামি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তাঁরা চেয়ারম্যানের দিকে তেড়ে গেলে সাংবাদিক জিয়াউল কবির বিষয়টি পুনরায় উচ্চ আদালতে পাঠানোর পরামর্শ দেন। এতে আসামিরা আরও উত্তেজিত হয়ে তাঁকে গালিগালাজ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেয়ারম্যান তাঁদের কক্ষের বাইরে বের করে দেন। পরে আসামিরা সংঘবদ্ধ হয়ে পরিষদ ভবনের বাইরে অবস্থান নেন। সাংবাদিক জিয়াউল কবির বাইরে বের হলে তাঁকে ঘিরে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ সময় আসামিরা তাঁর গলা চেপে ধরেন এবং ইট-পাথর দিয়ে তাঁর ডান হাতের কবজিতে আঘাত করেন। এজাহারে আরও বলা হয়েছে, মারধরের একপর্যায়ে আসামি ফেরদৌস রহমান খোকন সাংবাদিক জিয়াউল কবিরের বুক পকেট থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে নেন। হামলার সময় তিনি হেলমেট দিয়ে মাথা রক্ষার চেষ্টা করেন। পরে উপস্থিত ইউপি সদস্যসহ অন্যরা এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে চেয়ারম্যানের কক্ষে নিয়ে যান। বাদীর অভিযোগ, ঘটনাস্থল ছাড়ার সময় আসামিরা তাঁকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখান এবং প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

এ বিষয়ে দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী সাংবাদিকের লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। মামলার পর এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।