ঢাকা | সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ - ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন

রাজশাহী বোর্ডে এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণে ফেল থেকে পাস ১১১

  • আপডেট: Thursday, September 10, 2026 - 10:02 pm

স্টাফ রিপোর্টার: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে অকৃতকার্য (ফেল) থেকে নতুন করে পাস করেছেন ১১১ জন পরীক্ষার্থী এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন আরও ৭৭ জন। সব মিলিয়ে সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ দেশের মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষণ শেষে ফেল থেকে পাস করেছেন ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী। আর নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯ জন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে দেশের সবকটি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে এ ফল প্রকাশ করা হয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮ জন। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৭৬২ জন শিক্ষার্থী তাদের খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন। মোট ৯৮ হাজার ৭১০টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়।

এতে ৬৩১ জন শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এবং নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ১ হাজার ৪০০ জনের। পুনর্নিরীক্ষণের পর রাজশাহীতে ১১১ জন পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭৭ জন। অন্যান্য সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন আবেদন করেন। তাদের ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ৮ হাজার ৯৯৯ জনের গ্রেড ও ২১ হাজার ৬৯ জনের নম্বর পরিবর্তিত হয়েছে। এর মাধ্যমে বোর্ডে ৩৩৭ জন ফেল থেকে পাস এবং ৯০৬ জন নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ বোর্ডে ১ লাখ ৫ হাজার ২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৭ হাজার ৬৭৬ জন আবেদন করেন। ৭১ হাজার ৬৬টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ৫ হাজার ৩২১ জনের গ্রেড ও ৬ হাজার ৫০৮ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়। এ বোর্ডে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ১৮০ জন ফেল থেকে পাস এবং ৭৭৭ জন নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। দিনাজপুর বোর্ডে ৩৭ হাজার ২৯৬ জন আবেদনকারীর ৮৯ হাজার ২৮৬টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ৩ হাজার ৩৫৪ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়ে ৮৬৭ জন ফেল থেকে পাস এবং ২৭৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

যশোর বোর্ডে ২৮ হাজার ৮৬২ জন আবেদনকারীর ৭৪ ৭১৭টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ৩৮০ জন ফেল থেকে পাস এবং ১৮২ জন নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। কুমিল্লা বোর্ডে ৩৫ হাজার ৯২৯ জন আবেদনকারীর ৯১ হাজার ৪৯৪টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ৩৩৬ জন ফেল থেকে পাস করেছেন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০৭ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে ৩৯ হাজার ৭৯৮ জন আবেদনকারীর ১ লাখ ১৪ হাজার ৭০৬টি খাতা দেখার পর ১৯০ জন ফেল থেকে পাস এবং ৮৩ জন জিপিএ-৫ পান।

সিলেট বোর্ডে ২০ হাজার ৭৮৩ জন আবেদনকারীর ৫০ হাজার ৭১৩টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ১৮৬ জন ফেল থেকে পাস এবং ১২১ জন নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। বরিশাল বোর্ডে ১৭ হাজার ২৮৩ জন আবেদনকারীর ৫০ হাজার ২৯৩টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ৭৯ জন ফেল থেকে পাস করেছেন এবং ১১২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর বাইরে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজার ১২০ জন আবেদনকারীর ১ লাখ ৩ হাজার ৫০৩টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ২৫৫ জন ফেল থেকে পাস করেছেন এবং ২৯৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

এছাড়া বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজার ৩০৭ জন আবেদনকারীর ৩৪ হাজার ৩০৫টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ৬৬৪ জন ফেল থেকে পাস করেছেন এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন। সার্বিক হিসাবে দেশের সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি মিলে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাদের ১০ লাখ ৫৬ হাজার ১৫৮টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণ শেষে মোট ২৭ হাজার ৮৩৬ জন শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এবং ৫৫ হাজার ২৫৯টি খাতার নম্বর পরিবর্তন হয়েছে।

সোনালী জগদীশ/রবিদাস