তানোরে হচ্ছে কুটুমবাড়ি এগ্রো রিসোর্ট
তানোর প্রতিনিধি: তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌর এলাকার চুনিয়াপাড়া গ্রাম। সেখানে বরেন্দ্রভূমির উঁচু-নিচু জমি, লালচে মাটি আর গ্রামীণ প্রকৃতির নিজস্ব সৌন্দর্যের মাঝেই গড়ে উঠছে নতুন এক সম্ভাবনার ঠিকানা ‘কুটুমবাড়ি এগ্রো রিসোর্ট’।
শতাধিক বিঘা উঁচু-নিচু জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে এই কৃষি ও পর্যটনভিত্তিক উদ্যোগ। পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানে থাকবে প্রকৃতি, কৃষি, গ্রামীণ জীবন ও অবকাশ যাপনের সমন্বিত আয়োজন।
বৃহস্পতিবার নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রকল্পের উদ্বোধন ও অতিথি সম্মেলনে কুটুমবাড়ির ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। প্রকল্পের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম তার ভাবনায় কুটুমবাড়ি প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপস্থাপক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডি.এম. সাকলায়েন এর সঞ্চালনায় বলেন, শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য জায়গাটি গড়ে তোলা হবে গ্রামীণ জীবনের এক আনন্দময় গন্তব্য হিসেবে। যা হবে সকল মানুষের এক মেলবন্ধনের জায়গা।
কুটুমবাড়ি এগ্রো রিসোর্টের মূল ডিজাইনার মামুন সারোয়ার বলেন, ব্যতিক্রমী এগ্রো রিসোর্ট এর ডিজাইন করেছি যা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর হবে। অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও সুধিজন উপস্থিত ছিলেন।
কুটুমবাড়ি এগ্রো রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিঠুন কুমার বলেন, কুটুমবাড়ি এগ্রো রিসোর্টের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হতে যাচ্ছে মাটির ঘর। আধুনিক নগর জীবনের কংক্রিটের দেয়াল থেকে বেরিয়ে এখানে এসে দর্শনার্থীরা পাবেন মাটির ঘরের আপন আবহ। মাটির গন্ধ, খোলা বাতাস, গ্রামের পরিবেশ আর চারপাশের প্রকৃতি সব মিলিয়ে তৈরি হবে শেকড়ের কাছে ফেরার এক অনুভূতি। মাটির ঘরের বারান্দায় বসে দূরের মাঠ দেখা কিংবা নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটানোর অভিজ্ঞতা হতে পারে এই উদ্যোগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
শুধু তাই নয়, কৃষি ও পর্যটনের মেলবন্ধন ‘এগ্রো রিসোর্ট’ নামের মধ্যেই রয়েছে উদ্যোগটির মূল ভাবনা। কৃষিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে এখানে। বিস্তৃত পরিসরে কৃষি ও প্রকৃতিকে ঘিরে নানা আয়োজনের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় পর্যটনসুবিধা রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষ থেকে শুরু করে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণ পিপাসু সবার জন্যই এখানে ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা তৈরির সুযোগ রয়েছে।











