ঢাকা | জুলাই ২৩, ২০২৬ - ১১:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম

বাগমারায় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে অবৈধ পুকুরখননের অভিযোগ

  • আপডেট: Thursday, July 23, 2026 - 10:37 pm

বাগমারা প্রতিনিধি: বাগমারায় মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে গভীর নলকুপের আওতাধীন ধানী জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার অবৈধ ওই পুকুর খনন বন্ধের দাবিতে ঝিকরা ও মাড়িয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের সমন্বয়ে পরিচালিত একটি গভীর নলকুপের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই অভিযোগপত্রে গভীর নলকুপের পক্ষে ওসমান আলীসহ ৩০ জন কৃষক স্বাক্ষর করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঝিকরা ও মাড়িয়া ইউনিয়নের তেগাছি সেনপাড়া, পিরুলীসেনপাড়া, বামনকয়া ও হায়াতপুর গ্রামের শতাধিক কৃষকদের সমন্বয়ে পরিচালিত একটি গভীর নলকুপের আওতায় প্রায় ৪০ একর জমিতে বোরো ও আউশসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ হয়। বামনকয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে মিল্টনসহ এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি একত্রিত হয়ে ওই গভীর নলকুপের আওতাধানী স্কীমের আবাদি জমিতে মৎস্য চাষের জন্য পুকুর খনন কাজ শুরু করেছেন।

প্রভাবশালী ওই মহল প্রশাসনের কোনো প্রকার অনুমোতি ছাড়াই ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ওই গভীর নলকুপের স্কীমের কৃষিজমিতে জোরপূর্ব পুকুর খনন করছে। তাছাড়া পুকুর খননের কারণে ওই বিলের অন্যান্য জমিগুলোও হুমকির মুখে পড়ছে এবং আবাদি জমির পরিমান কমে যাচ্ছে।

অপরদিকে পুকুর খননকারীরা মাছচাষের সুবিধার জন্য ওই বিলের মধ্যে দিয়ে বাঁধ দেয়ায় বিলের পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যাবে। এতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে চাষাবাদ হুমকীর মুখে পড়বে। কাজেই কৃষিজমিতে পুকুর খনন বন্ধ করা না হলে এলাকার কৃষকেরা চরম খাদ্য সংকটে পড়বে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তরের অনুমোতি ছাড়াই বামনকয়া বিলে গভীর নলকুপের আওতাধীন স্কীমের ধানী জমিতে পুকুর খননের কথা স্বীকার করেছেন পুকুর খননকারীদের প্রধান নেতৃত্বদানকারী নেতা মিল্টন। তবে পুলিশের মৌখিক নির্দেশে পুকুর খনন কাজ দিনে না করে রাতে করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহম্মেদ বলেন, এ বিষয়ে ওই গভীর নলকুপের সদস্যবৃন্দদের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সরজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।