ঢাকা | জুন ১৭, ২০২৬ - ২:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

সোনালী সংবাদে খবর প্রকাশ: বাগমারায় খাঁচায় বন্দি ‘মিঠু’কে মুক্ত করলেন ইউএনও

  • আপডেট: Tuesday, June 16, 2026 - 10:50 pm

বাগমারা প্রতিনিধি: রাজশাহী অঞ্চলের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক সোনালী সংবাদসহ অন্য কয়েকটি গণমাধ্যমে সচিত্র সংবাদ প্রকাশের পর বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহম্মেদের মানবিক হস্তক্ষেপে অবশেষে খাঁচায় বন্দি টিয়া পাখি ‘মিঠু’ ১৫ দিন পর মুক্তি পেয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ইউএনও’র নির্দেশে নরদাশ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম নরদাশ ডিগ্রি কলেজ চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে পাখিটিকে খাঁচার বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে আকাশে উড়িয়ে দেন।

জানা গেছে, নরদাশ ইউনিয়নের সাঁইধারা গ্রামের মকবুল হোসেনের বাড়িতে প্রায় ৫ বছর পূর্বে স্বেচ্ছায় আশ্রয় নেয় একটি বন্য টিয়া পাখি। উন্মুক্ত পরিবেশে পর্যাপ্ত খাবার ও আদর-যত্ন পেয়ে পাখিটি ওই বাড়ি ছেড়ে আর কোথাও যায়নি। মকবুল হোসেন তাঁর নিজের ছেলের নামের সাথে মিল রেখে আদর করে পাখিটির নাম রাখেন ‘মিঠু’।

এক পর্যায়ে পাড়ার সবার কাছেই পাখিটি মিঠু নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। কিন্তু গত ১ জুন সকালে নরদাশ ইউপির সচিব আনারুজ্জামান রিপন পাখিটিকে ধরে খাঁচায় বন্দি করে রাখেন। এই বন্যপ্রাণীটি খাঁচায় বন্দি হওয়ার ঘটনায় গত শুক্রবার দৈনিক সোনালী সংবাদসহ অন্য কয়েকটি গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে।

এরই প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহম্মেদ খাঁচায় বন্দি মিঠুকে দ্রুত মুক্ত করার আদেশ দেন। তাঁর এই আদেশের পর নরদাশ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে পাখিটিকে মুক্ত করেন। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন মানবিক হস্তক্ষেপে বন্য টিয়া পাখিটি অবসানহীন বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাওয়ায় মকবুল হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

সোনালী/জগদীশ রবিদাস