বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১২তম সভা অনুষ্ঠিত
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১২তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের প্রোগ্রামের কারিকুলাম সংস্কার অনুমোদন, চলমান বিভিন্ন বিভাগের আসন বৃদ্ধি, ডিনস কমিটি ও পাঠ্যক্রম কমিটি পুনর্গঠন এবং নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের হ্যান্ডবুক কমিটি গঠন। একই সাথে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার প্রসার, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির বিষয়েও সভায় সুপারিশ করা হয়।
একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে সভায় উপস্থিত ছিলেন কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর মো. শহীদুর রহমান, প্রকৌশল স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. শামীম আহমদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. বায়তুল মোকাদ্দেছুর রহমান, ব্যবসায় ও আইন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. কানিজ হাবিবা আফরিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিবুল্লাহ, আইন ও মানবাধিকার বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর আবু নাসের মো. ওয়াহিদ এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মুন্সি ইসরাইল হোসাইন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের কো-অর্ডিনেটর মো. শাতিল সিরাজ, পাবলিক হেলথ বিভাগের প্রধান ড. মো. আব্দুল আউয়াল, ইইই বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. তানভীর আহমেদ, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর ড. সুলতানা রাজিয়া, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. চৌধুরী সারওয়ার জাহান, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রফেসর ড. ফারাহ নেওয়াজ এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. আবু রেজা।
এ ছাড়া সভায় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। পুরো সভাটি সঞ্চালনা করেন একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল মোহাম্মদ খালেদ বিন ইউসুফ (অব.)।
সভার শেষপর্যায়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা বলেন, ‘উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অগ্রযাত্রায় তিনি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।











