শিগগিরই হড়গ্রাম ফ্লাইওভার খুলে দেয়া সম্ভব হবে, জানালেন রিটন
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীর হড়গ্রাম রেলক্রসিং ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং খুব শীঘ্রই এটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।
রোববার দুপুরে মহানগরীর বিভিন্ন চলমান উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সমন্বিত নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন হড়গ্রাম রেলক্রসিং ফ্লাইওভারের কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখেন প্রশাসক। তিনি জানান, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্থবির হয়ে থাকা বা ধীরগতির কাজগুলোকে গতিশীল করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে তিনি কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফ্লাইওভারসহ অন্যান্য প্রকল্প শেষ করতে প্রকৌশল বিভাগকে কঠোর নির্দেশনা দেন। বর্তমানে ৩০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে উন্নয়ন কাজগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প:
একই দিনে প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন হড়গ্রাম গোরস্থানের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয়রা গোরস্থানের অতিরিক্ত মাটি অপসারণের দাবি জানালে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।
এর আগে তিনি কাঁঠালবাড়িয়া মোড় থেকে হাইটেক পার্ক হয়ে আইবাঁধ সংলগ্ন মিনি স্টেডিয়াম পর্যন্ত নবনির্মিত কার্পেটিং সড়ক, ড্রেন, ফুটপাত, রোড ডিভাইডার এবং গুলজারবাগ লেকের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এদিকে, উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি মহানগরীর জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, “৩০টি ওয়ার্ডে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ দিনের বিশেষ ফগার স্প্রে কার্যক্রম শেষ হয়েছে। নতুন করে মশক নিধনের কীটনাশক ও মেশিন ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে শিগগিরই একযোগে সব ওয়ার্ডে পুনরায় স্প্রে করা যায়।”
পরিদর্শনকালে তিনি মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ মিনারুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সানারুল ইসলাম ছবি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।











