শিক্ষায় বিনিয়োগই দেশের ভবিষ্যৎ: ভূমিমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার: ‘আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে। শিক্ষা একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি এবং শিক্ষায় বিনিয়োগ হচ্ছে দেশের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ।’
শনিবার দুপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি এসব কথা বলেন। রাজশাহী জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলকারী ৪৮২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকার বৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো শিক্ষার্থী মেধা বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না। মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকেও শিক্ষার প্রসারে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি এবং পারিবারিক আর্থিক চাপের কারণে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এমন প্রেক্ষাপটে সরকারি ও স্থানীয় পর্যায়ের এই বৃত্তি কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের শুধু আর্থিক সহায়তাই জোগাবে না, বরং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং ঝরে পড়ার হার কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী (ঈশা)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের এমপি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা। অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দেন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হলে মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার পথে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারবে।











