ঢাকা | জুন ২৬, ২০২৬ - ৩:৪১ পূর্বাহ্ন

বরেন্দ্র অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নে এডিবি-বিএমডিএ‘র ‘বারিন্দ’ প্রকল্পের কর্মশালা

  • আপডেট: Thursday, June 25, 2026 - 11:15 pm

স্টাফ রিপোর্টার: জলবাযু সহনশীলতা, টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা এবং উদ্ভাবনী উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “বরেন্দ্র এলাকা স্থিতিস্থাপক ও উদ্ভাবনী উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ইনস্টিটিউট অফ ওয়াটার মডেলিং এর আয়োজনে রাজশাহীর স্থানীয় চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এই সূচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। কর্মশালা সভাপতিত্ব করেন বিএমডিএ‘র নির্বাহী পরিচালক আবু সাঈদ মোঃ কামরুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, সরকার দেশব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গ্রামীণ জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বারিন্দ প্রকল্পটি টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীল কৃষি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে এই জাতীয় অগ্রাধিকারগুলো অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

প্রকল্পটি পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীল কৃষি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি টেকসই উন্নয়ন মডেল প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে। সরকার কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিএমডিএ বারিন্দ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আমি আশা করি, সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই প্রকল্প সফল ভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বারিন্দ অঞ্চল গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) সোহেল মাসুদ ওডগ, প্রিন্সিপাল ন্যাচারাল রিসোর্সেস আন্ড এগ্রিকালচারাল ইকোনমিস্ট, এডিবি শিঙ্গো কিমুরা, ভূতত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক উপ-উপাচার্য রাবি ড. চৌধূরী সারোয়ার জাহান, প্রিন্সিপাল ইকোনমিস্ট এডিবি ড. তাকাশি ইয়ামানো, প্রফেসর সিভিল ইঞ্জিনিয়ার রুয়েট ড. মোঃ নেয়ামুল বারি, অতিঃ প্রধান প্রকৌশলী ড. মোঃ আবুল কাসেম।

কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, প্রশাসন, কৃষকসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ৭০ জন কর্মকর্তা রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগন গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেন ।