ঢাকা | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ - ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

৩০৮ কোটি টাকার প্রকল্প: রাজশাহীতে বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা-প্রশিক্ষণ সুবিধা

  • আপডেট: Tuesday, September 29, 2026 - 10:30 pm

সোনালী ডেস্ক: রাজশাহীসহ দেশের তিনটি বিভাগে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণে ৩০৮ কোটি ৩০ লাখ টাকার একটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

এ প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী মহানগরীতে অবস্থিত বিদ্যমান শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন, আধুনিক শ্রেণিকক্ষ তৈরি, আবাসন সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।

‘চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে বিদ্যমান শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ এবং মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতিষ্ঠান রৌফাবাদ, চট্টগ্রামে হোস্টেল ভবন সম্প্রসারণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধীকরণ’ শীর্ষক তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদনের উদ্দেশ্যে আজ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হচ্ছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর প্রকল্পটির মূল বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করবে এবং নির্মাণকাজ পরিচালনা করবে গণপূর্ত অধিদপ্তর। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে (জিওবি) অক্টোবর ২০২৬ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৯ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের মোট বাজেটের সিংহভাগই ব্যয় হবে অবকাঠামো নির্মাণে।

প্রস্তাবিত ব্যয়ের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট বরাদ্দের ৯৩ দশমিক ২৪ শতাংশ অর্থাৎ ২৮৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা রাখা হয়েছে নতুন ভবন, আবাসিক স্থাপনা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের কাজে।

এছাড়া সরঞ্জাম সংগ্রহ খাতের আওতায় আসবাবপত্রে ৪ কোটি ৭২ লাখ, শিক্ষা ও শিক্ষণ উপকরণে ৪ কোটি ১১ লাখ, অফিস সরঞ্জামে ১ কোটি ৮২ লাখ এবং ৫ হাজার ২৫০টি বিছানাপত্র কেনায় ১ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজশাহীর স্থানীয় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ পাওয়ার সুযোগ বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে নিরাপদ আবাসন সুবিধা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদেরকে আত্মনির্ভরশীল ও কর্মক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩’ বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে পরিকল্পনা কমিশন।

সোনালী/জগদীশ রবিদাস