ঢাকা | অগাস্ট ২৪, ২০২৬ - ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

বাগমারায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট: Sunday, August 23, 2026 - 10:38 pm

বাগমারা প্রতিনিধি: বাগমারার নরদাশ ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা এবং গাজীপুর মাহিপি ক্যাডেট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম প্রতিপক্ষের অত্যাচার ও হুমকির কারণে প্রায় দুই মাস ধরে গ্রামে যেতে পারেছেন না বলে সংবাদ সম্মেলনে যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্নই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেন।

রোববার বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবে এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই দাবি করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মকবুল হোসেনের বড় ছেলে লিটন, জামাই আফজাল হোসেন ও ভাতিজা রিটন বাবু।

সংবাদ সম্মেলনে মকবুল হোসেন দাবি করেন, প্রতিবেশি আশরাফুল ইসলাম ও তার ভাইদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছে। সেই বিরোধ নিষ্পত্তি করতে যাওয়ায় আশরাফুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে তার (মকবুল হোসেন) বিরুদ্ধে দশ হাজার টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগে বাগমারা থানায় একটি হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় তার সেনা সদস্য ছেলে খোরশেদ আলম এবং বড় ছেলে কৃষক লিটনকেও আসামী করা হয়েছে। মুলত তাকে ও তার সেনা সদস্য ছেলেকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যেই এই ধরনের হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

তাছাড়া সংবাদ সম্মেলনের বরাদ দিয়ে  রোববার রাজশাহীর শীর্ষস্থানীয় দৈনিক সোনালী সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এবং অনলাইন নিউজপোর্টালে তার (মকবুল হোসেন) ও তার দুই ছেলের নাম জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

এছাড়া ওই মামলার এজাহারে স্বাক্ষী হিসাবে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে রাফিকুন নেসা, জাহাঙ্গীর আলম ও আফজাল হোসেন ওই মামলা সম্পর্কে কিছুই জানেনা মর্মে রাজশাহী নোটারী পাবলিকে এফিডেভিটও জমা দিয়েছেন। কাজেই পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ধরনের মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।