ঢাকা | জুলাই ৭, ২০২৬ - ২:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

ভূমিমন্ত্রীর আশ্বাস: প্রথম প্রশাসনিক ভবন ‘বড়কুঠি’ ফিরে পাচ্ছে রাবি

  • আপডেট: Monday, July 6, 2026 - 11:02 pm

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: বড়কুঠি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই হস্তান্তর করার চেষ্টা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু।

তিনি বলেন, বড়কুঠি রাজশাহী অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন। এখান থেকেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে সেটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে। আমরা বড়কুঠিকে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করার চেষ্টা করব।

গতকাল সোমবার দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পারিবারিক ফান্ড থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন ভূমিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত মেধাবী শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করেন। আমি আমার বাবা ফয়েজ রহমানের নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য এক সপ্তাহের মধ্যেই ১০ লাখ টাকা দেব। এই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় করার অনুরোধ করব।

আবাসন সঙ্কট নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উপাচার্য মহোদয় আমার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও শিক্ষামন্ত্রীও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আন্তরিক। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ভবনসহ সব সংকট দ্রুত নিরসন হবে। আমি খুব শীঘ্রই এসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করব।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত রাসিক প্রশাসক ও ভূমিমন্ত্রীর কাছে নানান দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমাদের এখানে শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করতে আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন। আমরা এ বিষয়ে রাসিক প্রশাসন ও সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করি।

আলোচনা সভায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, রাজশাহী-৩ আসনের সাংসদ শফিকুল হক মিলন, রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।