রাজশাহীতে ঈদের পর কমেছে ডিমের দাম
স্টাফ রিপোর্টার: ঈদের পরে চাহিদা কমে যাওয়ায় কমেছে ডিমের দাম। এছাড়া সবজি ও মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
শুক্রবার রাজশাহী মহানগরীসহ এর উপকন্ঠের বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদের পরে খামারের মুরগির ডিমের সরবরাহ ঠিক থাকলেও চাহিদা কমেছে। ফলে বাজারে ডিমের দাম কমে গেছে। বাজারে গতকাল প্রতিহালি সাদাডিম ৩২ থেকে ৩৪ এবং লালডিম ৩৬/৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এদিকে বাজারে মুরগি ও সবজির দাম অপরিবর্তীত রয়েছে।
প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০, সোনালী ২৭০ থেকে ২৯০, লেয়ার ২৯০ থেকে ৩২০, দেশি মুরগি ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এদিকে গতকাল প্রতিকেজি আলু ২০ থেকে ২৫, বেগুন ৪০ থেকে ৫০, ঢেড়স ৩০, পটল ২০, শশা ৩০ থেকে ৪০, মিস্টি কুমড়া ৪০, প্রতিপিস লাউ ৩০, চাল কুমড়া ৩০, আদা ১২০, রসুন ৯০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ৫০, পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
রাজশাহীর খুচরা বিক্রেতারা গতকাল প্রতিকেজি ছোটমাছ ২২০ থেকে ৪০০, সিলভার কার্প ১২০ থেকে ১৮০, পাঙ্গাস ১৩০ থেকে ১৯০, রুই-কাতলা ২২০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০, খাসির মাংস ৯’শ’ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এছাড়া নগরীর কুমারপাড়ার চালের আড়তগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি গুটিস্বর্ণা ৪৬/৪৭, পারিজা/ লালস্বর্ণা ৫৫ থেকে ৫৭, আটাশ ৬৫, মিনিকেট ৭৬, নাজির শাইল ৮২ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
খুচরা বাজারে প্রতিকেজি গুটিস্বর্ণা ৫০ থেকে ৫২, পারিজা/ লালস্বর্ণা ৫৮ থেকে ৬০, আটাশ ৬৮, মিনিকেট নতুন ৮০, নাজির শাইল ৮৫, আতব চাল ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এদিকে আটা খোলা ৪৮ থেকে ৫২, প্যাকেট ৫৩ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।











