ঢাকা | জুন ৯, ২০২৬ - ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

রাজশাহীতে ক্লু-লেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদঘাটন: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ২

  • আপডেট: Monday, June 8, 2026 - 11:21 pm

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানা এলাকায় সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

এ ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে দস্যুতার কাজে ব্যবহৃত একটি পিস্তলসদৃশ বস্তু, দুটি মোবাইল ফোন এবং ছিনতাই হওয়া নগদ ৩৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সপুরা গ্রামের মৃত সালাউদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহমান ডাবলু (৩৬) এবং মতিহার থানার মির্জাপুর গ্রামের মৃত হাসানের ছেলে ও বর্তমানে কাদিরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আবু সাদাত সায়েম ওরফে মিলন (৪৮)।

মামলার বিবরণ ও ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল সকালে পাবনা ডেইরি ফার্মের কর্মচারী মাসুদ রানা লরি বোঝাই তরল দুধ নিয়ে রাজশাহীর সপুরা সেলস সেন্টারে আসেন। দুধ খালাস শেষে সেন্টার ম্যানেজারের কাছ থেকে বিক্রির নগদ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ টাকা নিয়ে লরির চালকের আসনের পেছনে রেখে পাবনার উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুর আড়াইটার দিকে বেলপুকুর থানার উত্তর কাজীরপাড়া এলাকায় পৌঁছালে একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন নীল রঙের মোটরসাইকেলে এসে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা লরির গতি রোধ করে। এ সময় লরির জানালার কাচ ভেঙে চালকের গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে ভেতরে থাকা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

এ ঘটনায় বেলপুকুর থানায় মামলা দায়েরের পর আরএমপি পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করার পর মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। এরপর ডিবি পুলিশের বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুর রহমান ডাবলু এবং ছিনতাইয়ে সরাসরি অংশ নেওয়া আবু সাদাত সায়েম ওরফে মিলনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর মূল পরিকল্পনাকারী ডাবলুর কাছ থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকা এবং মিলনের কাছ থেকে দস্যুতায় ব্যবহৃত পিস্তলসদৃশ বস্তু ও নগদ ৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। আরএমপির গোয়েন্দা শাখা জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা বর্তমানে ডিবি হেফাজতে রয়েছে। ছিনতাই হওয়া বাকি টাকা উদ্ধার এবং চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।