ঢাকা | এপ্রিল ১৫, ২০২৬ - ২:৩২ অপরাহ্ন

শিরোনাম

ঈদ পুনর্মিলনীতে উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু রাজশাহীর পদ্মাপাড়

  • আপডেট: Wednesday, March 25, 2026 - 12:00 am

স্টাফ রিপোর্টার: পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটাতে উৎসবের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে রাজশাহীর পদ্মাপাড়। ঈদুল ফিতরের দিন এবং পরের দুইদিন পদ্মাপাড়কে ঘিরে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ঈদের দিন বৃষ্টির কারণে ভিড় তুলনামূলক কম থাকলেও পরেরদিন থেকে তা বৃদ্ধি পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে নগরীর বিনোদন পার্কসহ দর্শনীয় স্থানগুলো। ঈদের দুইদিন পর গতকাল মঙ্গলবারও বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক ভিড় ছিল।

রাজশাহীর শহিদ জিয়া শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, সীমান্ত নোঙর, ভদ্রা শিশুপার্ক, রাজশাহী চিড়িয়াখানা ও কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের একইরকম ক্ষোভ দেখা গেছে। তবে রাজশাহী পদ্মাপাড়ে মুক্তস্থানে কোন টিকিট না থাকায় সেখানে ছোট-বড় সব বয়সী মানুষের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।

পদ্মাপাড়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুরতে এসেছেন সিহাব ও জয়ী। সিহাব জানান, ঈদের নামাজ শেষে বাসায় মিষ্টান্ন খেয়েই তারা এখানে ঘুরতে এসেছেন। বৃষ্টির কারণে কিছুটা কষ্ট হয়েছে। তাদের বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, নিজেদের ব্যস্ততার কারণে বাচ্চাদের তেমন সময় দেয়া হয় না, তাই ঈদের দিনে তাদের নিয়ে বের হয়েছি।

নগরীর সাগরপাড়া থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছেন শাবনুর ইসলাম। তিনি বলেন, এবারের ঈদটা একটু অন্যরকম। চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকি, তবে এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারছি। দুপুরে সবাইকে নিয়ে বের হয়েছি, বাচ্চারা খুব আনন্দ করছে। ঈদের আনন্দটা সবাই মিলে উপভোগ করছি।

এদিকে, ঈদ উপলক্ষে নগরীতে চলাচল করা ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশার চালকরা যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন, যা যাত্রীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে।

এনামুল হক নামে এক কর্মকর্তা বলেন, এবার ঈদে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হয়নি। রাজশাহীতেই আছি, ঈদের দিন বিনোদনকেন্দ্রে সময় কাটাচ্ছি। তবে বিনোদনকেন্দ্রে টিকিট মূল্যে বেশি, রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা বেশি ভাড়া চাচ্ছেন, যা ভোগান্তির কারণ হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে এই সিন্ডিকেট গুলো ভেঙে ফেলা দরকার বলে জানান তিনি।