ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ২৯, ২০২৪ - ১০:৫১ পূর্বাহ্ন

বিবিয়ানায় ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি কূপে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক: শেভরন

  • আপডেট: Tuesday, April 5, 2022 - 12:35 pm

অনলাইন ডেস্ক: হবিগঞ্জের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ছয়টি কূপের মধ্যে তিনটি কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে বলে জানিয়েছে গ্যাসক্ষেত্রটির দায়িত্বে থাকা মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন।

শেভরনের কমিউনিকেশন ম্যানেজার কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স শেখ জাহিদুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ৬টি কুপের মাঝে ৩টির মেরামত কাজ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে এই তিনটি কূপ চালু হয়েছে। তবে অবশিষ্ট তিনটি কূপ মেরামত কাজ কবে শেষ হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

শেখ জাহিদুর রহমান জানান, বিবিয়ানার ছয়টি কূপ থেকে শনিবার রাতে গ্যাস উত্তোলনের সময় বালি উঠতে শুরু করে। এ কারণে বন্ধ করে দিতে হয় উৎপাদন। এতে রাতে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংকট দেখা দেয়। শেভরন বাংলাদেশ বিবিয়ানা গ্যাস প্লান্টকে পূর্ণ ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে দ্রত উদ্যোগ নেয় এবং তিনটি কূপের মেরামত শেষ হয়েছে।

প্লান্টে ক্ষতিগ্রস্ত দুটি প্রসেস ট্রেনের একটিতে উৎপাদন এবং মেরামত হওয়া কূপগুলোতে উৎপাদন শুরু হয়েছে। অবশিষ্ট তিনটি কূপ মেরামত না হলে গ্যাস উৎপাদন ৪০ শতাংশ কম হবে। উৎপাদনের কিছু অসামঞ্জস্যতা আবিষ্কারের পর রোববার তার দুটি ট্রেনের মধ্যে দুটি এবং ফিল্ডের ৬টি উৎপাদন কূপের কার্যক্রম স্থগিত করার পরে উৎপাদন কমে যায়।

গত রোববার দুপুরের দিকে হঠাৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দেয়। বিবিনিয়া গ্যাস ফিল্ডে হঠাৎ গ্যাস উৎপাদন বিঘ্ন ঘটায় জরুরি মেরামত কাজ চলছে।

তিতাসের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মির্জা মাহবুব হোসেন বলেন, সোমবার সাধারণ সময়ের তুলনায় সরবরাহ লাইনে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম পেয়েছেন তারা। এর মধ্যেও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সচল রাখতে গিয়ে আবাসিক এলাকায় রেশনিংয়ের মাধ্যমে গ্যাস কমিয়ে দিতে হচ্ছে। সোমবার দুপুরের মধ্যে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছিল। মঙ্গলবারের মধ্যে শেভরনের গ্যাসফিল্ডের সমস্যার সমাধান হবে বলে আমরা আশা করছি।

দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাসের সংযোগ হয়ে প্রতিদিন ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটের চেয়ে বেশি গ্যাস পেয়ে থাকেন গ্রাহকরা। আর দেশের ২২টি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে বেশির ভাগ গ্যাস আসে শেভরন পরিচালিত বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে। যা দেশের মোট উৎপাদিত গ্যাসের ৪১ শতাংশ বিবিয়ানা থেকে আসে।

সোনালী/জেআর