ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২৪ - ১:৩১ অপরাহ্ন

সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারীর প্রতারণা!

  • আপডেট: Thursday, March 24, 2022 - 11:08 pm

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী সুফিয়া খাতুনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে বয়স কমিয়ে চাকরিতে যোগদানের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে নিবন্ধন মহাপরিদর্শক শহীদুল আল ঝিনুক স্বক্ষরিত এক চিঠিতে রাজশাহী জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে সুফিয়া খাতুনের চাকরির ধারাবাহিকতা পূনাঙ্গ প্রতিবেদন ও মতামত চাওয়া হয়েছে।

সাব রেজিষ্ট্রি অফিস সূত্রে জানা যায়, সুফিয়া খাতুন সাব রেজিস্টি অফিসে ২০ বছরের অধিক সময় ধরে নকলনবিশ ও টিসি হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় কাগজ পত্রে তাঁর জন্ম তারিখ ছিল ১১ মার্চ ১৯৬২। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে সুফিয়া খাতুন অফিস সহকারী হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের সময় প্রতারণার মাধ্যমে এসএসসি সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবর্তন করে অবসর গ্রহণের তারিখ নির্ধারনের আবেদন করেন। সেখানে জন্ম তারিখ উল্লেখ করেন ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০। দুইবার উল্লেখিত বয়স দুই রকম হওয়ায় বিষয়টা নিয়ে তাঁর কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার দায়ে ফৌজদারি মামলা দায়ের করে নিবন্ধন মহা পরিদর্শক নিবন্ধন অবহিত করতে জানানো হয়।

এ বিষয়ে অফিস সহকারী সুফিয়া খাতুন বলেন, আমি কোনো প্রতারণার আশ্রয় নিইনি। যখন নকলনবিশ হিসাবে যোগদান করেছিলাম তখন চাকুরি সরকারী ছিল না। এজন্য একটা অনুমানিক বয়স দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে যখন অফিস সহকারী হিসাবে যোগদান করি তখন জাতীয় পরিচয়পত্র ও শিক্ষা সনদে উল্লেখিত জন্মতারিখ দিয়েছি। এজন্য বয়স নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। তবে আমি সকল কাগজপত্র উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। আশা করি খুব দ্রুতই বিষয়টার সমাধান হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারঘাট উপজেলা সাব রেজিস্টার শাহীন আলী বলেন, সুফিয়া খাতুনের বিষয়ে উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশনা পেয়েছি। সে অনুযায়ী তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। অফিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আপাতত তাঁর বেতন স্থগিত করা হয়েছে। তিনি অফিসিয়াল কোনো কাগজপত্রে সাক্ষর করতে পারবেন না। শুধু অফিসে আসবেন এবং যাবেন।