ঢাকা | অক্টোবর ৪, ২০২৬ - ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

রাজশাহীর বাজার দর: সবজির দাম কমলেও মাছ-মুরগির বাজার চড়া

  • আপডেট: Saturday, October 3, 2026 - 10:44 pm

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর বাজারে হঠাৎ সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত সপ্তাহের তুলনায় শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচসহ বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে ডিম ও মুরগির দাম অপরিবর্তিত থাকার পাশাপাশি মাছের বাজার চড়া থাকায় ভোক্তাদের মাঝে শতভাগ স্বস্তি ফিরেনি।

শনিবার সকালে নগরীর ঐতিহাসিক সাহেব বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের এই দরচিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি কেজি শসা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, কাঁচামরিচ ৯০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ঢেঁড়স ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঝিঙা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, শিম ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া কাঁচকলা প্রতি হালি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতিটি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, চালকুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং ওল ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে থিতু রয়েছে। গাজর ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে পাওয়া গেলেও মসলাজাতীয় পণ্যের মধ্যে আদা ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, নাটোরের রসুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং দেশি রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বেচাকেনা হচ্ছে।

এদিকে গত সপ্তাহের মতো স্বাভাবিক দর বজায় রেখে লাল ডিম প্রতি হালি ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, সাদা ডিম ৪৪ টাকা, হাঁসের ডিম ৭০ টাকা এবং দেশি মুরগির ডিম ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। মুরগির দামেও বিশেষ হেরফের দেখা যায়নি; প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৫২০ থেকে ৫৫০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা, ফাউমি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা এবং হাঁস ২৬০ থেকে ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে মাছের বাজারে এখনও ক্রেতাদের চড়া দামেই পণ্য কিনতে হচ্ছে। প্রতি কেজি রুই ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ও পাঙাশ ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, চাষের শিং ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, টেংরা ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কোরাল ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা, দেশি কৈ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা এবং দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে হাঁকছেন বিক্রেতারা।

সাহেব বাজারের সবজি বিক্রেতা আবদুল হালিম বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দাম বেশ কিছুটা কমে এসেছে। বাজারে কেনাকাটা করতে আসা শিক্ষার্থী রাকিব হাসান ও ক্রেতা সুমাইয়া আক্তার জানান, শসা ও বেগুনের মতো পণ্যের দাম কমায় সাধারণ মানুষের কেনাকাটায় কিছুটা সুবিধা হলেও মাছ ও ডিমের দাম বাড়তি থাকায় তাদের ওপর খরচের চাপ থেকে যাচ্ছে। অন্যদিকে ডিম ও মুরগি ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বাজারে এসব পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে।

সোনালী/জগদীশ রবিদাস