শিশুদের প্রতি সংবেদনশীল হতে পুলিশকে আরএমপি কমিশনারের আহ্বান
স্টাফ রিপোর্টার: বিশেষ করে ট্রমা বা মানসিক আঘাতপ্রাপ্ত শিশুদের পাশে সহানুভূতি, বিশ্বাস ও সংবেদনশীলতা নিয়ে দাঁড়াতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।
তিনি বলেন, আমরা যদি কোনো শিশুর মনে নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করতে পারি, তবে সে খোলামেলা কথা বলতে পারবে এবং এতে প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছে তা জানা সম্ভব হবে। তাই শিশুদের নিয়ে কাজ করা পুলিশ কর্মকর্তাদের মানবিক, ধৈর্যশীল ও সংবেদনশীল হওয়ার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বুধবার রাজশাহী পুলিশ লাইন্সের পিওএম কনফারেন্স রুমে পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য সাইকোসোশ্যাল কেয়ার (মনোসামাজিক সেবা) বিষয়ক এক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরএমপি কমিশনার ফয়েজুল কবির এসব কথা বলেন।
আরএমপি এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ‘রাজশাহী সিটি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’ যৌথভাবে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন এবং উপ-পুলিশ কমিশনার খুরশেদ আলম। দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে ট্রেইনার হিসেবে উপস্থিত থেকে শিশুদের মানসিক বিকাশ, ট্রমার প্রভাব, ভুক্তভোগী শিশুদের আচরণের পরিবর্তন, নিরাপদ যোগাযোগ এবং মনোসামাজিক সহায়তার কৌশল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মুর্শিদা ফেরদৌস বিনতে হাবিব। ও
য়ার্ল্ড ভিশনের রাজশাহী সিটি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট সমন্বয় কার্যালয়ের সিনিয়র ম্যানেজার লোটাস চিসিম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনা করেন প্রোগ্রাম অফিসার রিপন হালদার। কর্মশালায় আরএমপির অধীনস্থ কাশিয়াডাঙ্গা, রাজপাড়া, বোয়ালিয়া, মতিহার, চন্দ্রিমা ও শাহমখদুম থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কের এএসআই, এসআই ও পরিদর্শক পদমর্যাদার ৩০ জন কর্মকর্তা এবং ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের ৫ জন কর্মকর্তাসহ মোট ৩৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।











