ঢাকা | এপ্রিল ১৬, ২০২৬ - ২:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম

রাজশাহীর শপিংমলগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

  • আপডেট: Tuesday, March 3, 2026 - 10:00 pm

স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নগরীর শপিংমল গুলিতে জমে উঠেছে কেনাকাটা। মার্কেটগুলোতে ঈদের আমেজ শুরু হয়ে গেছে।

শুরুতে তেমন একটা ভিড় না থাকলেও রোজার মাঝামাঝিতে এসে নগরীর থিম ওমর প্লাজায় জমজমাট ব্যবসা চলছে। ব্যবসায়ীরা জানান, আড়ং, লারিভ, টপ টেন, ইনফিনিটি, রিচম্যান, ইজি, জেন্টেল পার্ক, বিশ্ব রং, গ্রামীণ চেক, সেইলর, সারাসহ থিম ওমর প্লাজায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খুব বেশি ভিড় থাকে। এর কারণ নগরীর আশে পাশের মানুষ স্বপরিবারে এইসব শপিংমলে কেনাকাটা করে বেলা থাকতে ফিরে যায়। নগরীর স্থানীয় বাসিন্দারা মূলত ইফতারের পর শপিং মলে তাদের ঈদের কেনাকাটা করতে আসে।

শো-রুম গুলোতে পুরুষদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্ট, গেঞ্জি, টি-শার্ট, নারীদের শাড়ি, থ্রিপিস, ওয়ান পিস, কুর্তা এবং শিশুদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, ফ্রক, গেঞ্জিসেটসহ আধুনিক ডিজাইনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। একইসঙ্গে কসমেটিকস, জুতা, ঘর সাজানোর সামগ্রী এবং গহনার দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় থাকে। ক্রেতারা জানান, এখানে পণ্যের দাম কিছুটা বেশি হলেও মলগুলো সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এখানে কেনাকাটা করতে পছন্দ করি। এখন নগরীতে গরম থাকায় থিম ওমর প্লাজাসহ অন্যান্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মলগুলিতে ঈদের ক্রৈতাদের ভিড় অনেক বেশি।

দোকানিরা জানান, এ বছর ঈদের কেনাকাটা আগেভাগে শুরু না হলেও বর্তমানে ব্যবসা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে ভিড়। এবার নারী, পুরুষ ও শিশুর জন্য বিভিন্ন ডিজাইনের নতুন পোশাকগুলো বিক্রি হচ্ছে ব্যাপক হারে। এছাড়াও মসলিন, সিল্ক, সালান জামদানি, কাতান, কাশ্মীরি কাজ করা নায়েন শাড়ি ও লেহেঙ্গা, পুরুষদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, টি-শার্ট এবং শিশুদের জন্য নানা রঙের আরামদায়ক পোশাকের চাহিদা বেশি।

গরমকে প্রাধান্য দিয়ে ক্রেতারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সুতি কাপড়কে প্রাধান্য দিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তারা। এদিকে সাহেব বাজার কাপড় পট্টিতে ঈদকে সামনে রেখে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কেনাকাটা করতে আসা মেয়েদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতারা বলেন, এই মার্কেটে সাশ্রয়ী মূল্যে পছন্দের জিনিসটি পাওয়া যায়, তাই তারা প্রথমেই এই মার্কেটে আসেন কেনাকাটা করতে।

ক্রেতারা বলছেন, বরাবরের মতোই ঈদকে সামনে রেখে কাপড়ের বাড়তি দাম চাইছেন বিক্রেতারা। স্কুল-কলেজ রোজার শুরু থেকেই বন্ধ থাকার কারণে অনেকেই আগেভাগে কেনাকাটা করে গ্রামের বাড়িতে চলে যাবেন। সেই বিষয়টি বুঝতে পেরে দাম ছাড়তে চাইছেন না বিক্রেতারা। বলেন, প্রতি বছর রোজার ঈদেই সবার জন্য নতুন জামাকাপড় কেনাকাটা করা হয়। শেষ সময়ে ভিড় বেশি থাকে সেজন্য আগেভাগেই কেনাকাটা করছি। একটু বেশি ঘুরতে হচ্ছে, তারপরও পরিবার-পরিজনের খুশির কাছে এই কষ্ট কিছুই না।