রাজশাহী-২ আসনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণমিছিল
স্টাফ রিপোর্টার: বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জনদাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজশাহীতে বিশাল গণমিছিলের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, রাজশাহী মহানগরী। রাজশাহী সদর-২ আসনের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের আহ্বানে গতকাল সোমবার এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দুপুর ৩ টায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সিএন্ডবি মোড় থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়।
মিছিলটি নগরীর লক্ষ্মীপুর হয়ে মেডিকেলের সামনে দিয়ে জাদুঘর মোড় অতিক্রম করে জিরোপয়েন্ট থেকে নিউ মার্কেটে এসে সমাবেশের মাধ্যমে গণমিছিলটি সমাপ্ত হয়। গণমিছিলকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই নগরজুড়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন ওয়ার্ড ও এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা নির্ধারিত স্থানে জড়ো হয়।
গণমিছলপূর্ব সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, তিনি বলেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনাদের মূল্যবান ভোটে আল্লাহর রহমতে দাঁড়িপাল্লার বিজয় হবে। এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এদেশে ন্যায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হবে। নায্যতার ভিত্তিতে সবাই সবার অধিকার পাবে।
শিক্ষানগরী রাজশাহী নতুন বিজনেস হাব তৈরির মধ্যদিয়ে হবে বাণিজ্যের নগরী, তৈরি হবে নতুন কর্মসংস্থান, শান্তির নগরে থাকেবে না কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাফিয়া। এই নগরী হবে শান্তির জনপদ। সকলে মিলে গড়ে তুলবো আমাদের শান্তির নগরী। এই নগরীর মানুষ আর ভোট দিতে ভুল করবেন না। আপনারা সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করবেন। কারো রক্তচক্ষুকে ভয় পাবেন না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল জানান, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বিরাজমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনের দাবি ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের জন্য এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরকার বলেন, রাজশাহীবাসী নারী-পুরুষ নির্বশেষে আজকের গণমিছিলে ব্যাপক অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে দাঁড়িপাল্লার যে গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে তা থেকে বোঝা যায় ১২ তারিখের নির্বাচন দাঁড়িপাল্লার ভূমিধস বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ।
এদিকে, গণমিছিলকে ঘিরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা লক্ষ্য করা গেছে। মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকেও একটি স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হয়েছে, যারা মিছিল চলাকালে শৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক সহযোগিতায় নিয়োজিত ছিল।











