ঢাকা | অক্টোবর ৩০, ২০২৬ - ১২:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

মোহনপুরে খামারি অ্যাপসের মাধ্যমে সার সুপারিশ কার্যক্রম পরিদর্শন

  • আপডেট: Thursday, October 29, 2026 - 10:58 pm

মোহনপুর প্রতিনিধি: রাসায়নিক সারের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা, উৎপাদন খরচ কমানো এবং ফসলের কাঙ্ক্ষিত ফলন অর্জনের লক্ষ্যে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় খামারি অ্যাপসের মাধ্যমে সার সুপারিশ কার্যক্রমের মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রবি-২ মৌসুমে আমন ধানের আবাদে সার সুপারিশের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে মোহনপুর উপজেলার চান্দপাড়া, বিদিরপুর, রুহুল, মোহনপুর ও আমগাছী এলাকার প্রদর্শিত আমন ধানের মাঠ পরিদর্শন করেন মনিটরিং টিমের সদস্যরা। এ সময় কৃষকদের নিয়ে উঠান বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।

মাঠ পরিদর্শনকালে আমন ধানের বর্তমান অবস্থা, জমিতে সার প্রয়োগের পদ্ধতি এবং খামারি অ্যাপসে প্রদত্ত সার সুপারিশ অনুসরণের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি কৃষকদের রাসায়নিক সার সঠিক মাত্রায় ও সঠিক সময়ে প্রয়োগ, সারের অপচয় রোধ এবং মাটির উর্বরতা সংরক্ষণের বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়।

উঠান বৈঠকে খামারি অ্যাপসের মাধ্যমে প্রাপ্ত সার সুপারিশ অনুসরণ করে সুষম সার ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও মাটির স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাবের বিষয়েও কৃষকদের সচেতন করা হয়। আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে টেকসই কৃষি উৎপাদন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মাঠ পরিদর্শন ও মনিটরিং কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিএআরসি পরিচালক (মৃত্তিকা ও প্রাকৃতিক সম্পদ) ড. আকছার আলী, বিএআরআই রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. হাসান-উর-রশিদ, ঢাকা ডিএই উপপরিচালক (বীজ ও অন্যান্য উপকরণ) ড. সাখাওয়াত আহমদ সিদ্দিকী, ডিএই রাজশাহীর উপ-পরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন, মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, ঢাকা বিএআরসির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (টিটিএমটি) আনোয়ারুল হক, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খামারি অ্যাপসের মাধ্যমে প্রদত্ত সার সুপারিশ অনুসরণ করে সারের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি মাটির স্বাস্থ্য ও উর্বরতা সংরক্ষণ সম্ভব হবে। একই সঙ্গে আমন ধানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।