ঢাকা | এপ্রিল ২, ২০২৬ - ২:০১ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীকে মরুকরণ থেকে বাঁচাতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি

  • আপডেট: Wednesday, April 1, 2026 - 10:25 pm

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী অঞ্চলকে মরুকরণের হাত থেকে রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পদ্মা ব্যারেজ দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) রাজশাহী কমিটি।

একইসঙ্গে বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার নিশ্চিত, অবিলম্বে উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং রাজশাহীর পদ্মা নদী ক্যাপিটাল ট্রেজিং এর মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, কৃষি ও কৃষককে বাঁচানোর জোর দাবি জানানো হয়।

বুধবার সকালে রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। উত্তরের অন্যতম সামাজিক সংগঠন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে রাজশাহীর পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচি থেকে অবিলম্বে বৃহত্তর রাজশাহীর উন্নয়নে পদ্মা ব্যারেজ দ্রুত নির্মাণের দাবি জানানো হয়।

বাপা, রাজশাহীর সভাপতি মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাপা’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক  জামাত খান, বাপা’র রাজশাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক সেলিনা বেগম, রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মো. লিয়াকত আলী, দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক হাসান মিল্লাত, রাজশাহী কলেজের শিক্ষক ও বাপা রাজশাহীর সহসভাপতি জুয়েল কিবরিয়া, বাপা পবার সভাপতি রহিমা বেগম, রুলফাও এর নির্বাহী পরিচালক আফজাল হোসেন, ছাত্রনেতা জাহিদ হাসান, বাপা সদস্য সম্রাট রায়হান, পবা বাপার সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী চৌধুরী, মোহনপুর উপজেলা বাপা নেতা আবদুস সালাম, দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রুপালী খাতুন, দুর্গাপুর উপজেলা বাপার সভাপতি একেএম মোহাইমেনুল হক রিন্টু, রাজশাহী জেলা বাপার কোষাধ্যক্ষ জাহিদ হাসান, বাপা তানোরের নেতা মফিজ উদ্দিন সরকার, পুঠিয়া উপজেলা বাপার সভাপতি এনামুল হক প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, সম্প্রতি সরকার এই অঞ্চলের ৩ হাজার ৫৯৩টি মৌজাকে ‘পানিসঙ্কটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। সরকারি প্রজ্ঞাপনে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে বিধিনিষেধ, নতুন নলকূপ স্থাপনে বাধা এবং পানি নির্ভর ফসল চাষ কমিয়ে আনার মতো একগুচ্ছ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কাগজ-কলমে এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও ইতিবাচক। কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা।

মানববন্ধন থেকে রাজশাহী ও নাটোর জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বড়াল নদীর উৎস মুখ থেকে পাবনার আটঘরিয়ার রেগুলেটর পর্যন্ত ৪৬.৬০০ কিলোমিটার অংশ খনন কাজ সম্পন্নের পাশাপাশি হোজা, বারনই ও বড়ালসহ এ অঞ্চলের নদী-খাল-বিল দখল ও দুষণমুক্ত করে পুনখনন করার জোর দাবি জানানো হয়।