ঢাকা | এপ্রিল ১০, ২০২৬ - ১:৫০ অপরাহ্ন

নগরীতে জামায়াতের দুপক্ষের সংঘর্ষে মোটরসাইকেল ভাঙচুর

  • আপডেট: Friday, March 20, 2026 - 12:00 am

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে জামায়াতে ইসলামীর দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ মার্চ) রাত পৌনে ৮টার দিকে মহানগরীর হেতেমখাঁ জাদুঘর মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

একপক্ষের অভিযোগ, অন্যপক্ষকে চাঁদা তুলে না দেওয়ার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর হামলা হয়েছে। যদিও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ দাবি নাকচ করে দিয়েছে রাজশাহী মহানগর জামায়াত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর দুপক্ষের মধ্যে একটি মোটরসাইকেল কেনা-বেচাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং পরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের মাধ্যমে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হন।

স্থানীয় জামায়াত কর্মী মমিনুল ইসলাম মোনা ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান পারভেজ গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

মমিনুল ইসলাম মোনা দাবি করেন, রাশেদুল হাসান পারভেজ তার একটি মোটরসাইকেল নিয়ে টাকা দিচ্ছিলেন না। টাকা চাওয়ার কারণে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, রাশেদুল হাসান এলাকায় চাঁদাবাজি করেন। তাকে চাঁদা তুলে না দেওয়ার কারণে আগে থেকেই ক্ষিপ্ত ছিলেন। এ কারণে হামলা চালিয়ে মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে হাসান পারভেজের মোবাইলে ফোন করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান জানান, মোটরসাইকেল কেনা-বেচা নিয়ে দুই ব্যক্তি ও তাদের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা নেই।

ওই দুই কর্মীর মধ্যে মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে টাকা-পয়সা লেনদেনের বিষয় ছিল; সেটা নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জামায়াতে ইসলামীর কেউ চাঁদাবাজি করে না, কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেবে না। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান সব সময় কঠোর।