তৃষ্ণা মেটাতে রোজাদারদের প্রিয় পানীয় আখের রস
স্টাফ রিপোর্টার: পবিত্র রমজান মাসের সারাদিনের ক্লান্তিকে মুক্তি দিতে আখের রসের জুড়ি মেলা ভার। এক চুমুকেই ক্লান্তি দূর হয়ে দেহে আসে সতেজতা। তাই রমজান আসলে ইফতারে অন্যান্য খাবারের সাথে যোগ হয় আখের রস।
তৃষ্ণা মেটাতে বিভিন্ন শরবত ও কোমল পানীয়র পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে চাষাবাদ ও নির্ভেজাল হওয়ায় রাজশাহী নগরীর প্রায় ঘরেই ইফতারে চাহিদা বেড়েছে আখের রসের। নগরীর আলুপট্টি এলাকার আখের রস ব্যবসায়ী করিম বলেন, এই এলাকায় ২০১২ সাল থেকে আখের রসের ব্যবসা করি। সারা বছরের মধ্যে এই রমজান মাসে আখের রসের চাহিদা কয়েকগুণ। তৃষ্ণা মেটাতে রোজাদারদের চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
তিনি আরও বলেন, রমজান মাসে প্রতিদিন তার ১০০ লিটারের মত আখের রস বিক্রয় হয়। তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে আখের রসের চাহিদা বাড়তে থাকে। আখের রস প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ লিটার বিক্রয় হয়ে থাকে। আখের রসের চাহিদা বাড়ায় – নগরীর প্রায় প্রতিটি মোড়েই এই আখের রস ৭০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করে আখ ব্যবসায়ীরা। বিকেল হওয়ার সাথে সাথে আখ পিড়ানো মেশিনের সামনে আখের রসের জন্য রোজাদারদের ভিড় দেখা যায়।
নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার আরেক আখের রস বিক্রেতা সালাম বলেন, প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি ও শীতল হওয়ায় আখের রস রোজাদারদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এ রস পানের মধ্য দিয়ে একটা আলাদা অনুভূতি পায় রোজদাররা। যখন মেশিনের মাধ্যমে আখগুলোকে চেপে রস বের করা হয়, তখন তার সঙ্গে কিছুটা বরফ ও লেবুর রস দিয়ে দেয়া হয়। এতে রসের স্বাদ আরও বেড়ে যায়। তবে, বরফ ছাড়াও রস কিনে নিয়ে যান অনেকে। তিনি বলেন, বরফের কারণে আখের রসের দামে হেরফের হয়, যেমন বরফ ছাড়া প্রতি লিটার রস ৭০ টাকা, আর বরফ দেয়া রস ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বিভিন্ন এলাকার রোজাদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দিনভর রোজা শেষে তৃষ্ণা মেটাতে প্রাকৃতিক জুসের মতোই আখের রসের চাহিদা রয়েছে। ইফতারের অন্যতম অনুসঙ্গ হিসেবে আখের রসের বিকল্প নেই।











