ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ৮, ২০২৬ - ২:১০ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিকমানের ক্রিকেট ভেন্যু গড়ার প্রতিশ্রুতি ডা. জাহাঙ্গীরের

  • আপডেট: Sunday, February 8, 2026 - 12:06 am

স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর রাজশাহীতে আন্তর্জাতিকমানের ক্রিকেট ভেন্যু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইপিজেড ও হাইটেক পার্ক কার্যকরকরণ, রেল ও বিমান যোগাযোগ উন্নয়ন এবং পদ্মা নদীকে ঘিরে কৃষি ও নৌপরিবহন উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

গতকাল শনিবার নগরীর কাজিহাটা, সিপাইপাড়া, আশ্রয়ণ এলাকা ও চন্ডিপুর এলাকায় গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন ডা. জাহাঙ্গীর। ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক মানের খেলাধুলার আয়োজন নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব। দেশের ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে সুযোগ না পাওয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত।

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বর্তমানে ১২০০ শয্যার হলেও রোগীর চাপ অনেক বেশি। আমরা এটিকে ৩০০০ শয্যায় উন্নীত করতে চাই এবং বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে চাই।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে এবং একটি নতুন সদর হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে। এছাড়া নির্মাণাধীন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ দ্রুত শেষ করে সেখানে ১২০০ শয্যার একটি হাসপাতাল চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

রাজশাহীতে কর্মসংস্থানের ঘাটতির কথা তুলে ধরে ডা. জাহাঙ্গীর বলেন, একটি ইপিজেড (ঊচত) স্থাপনের মাধ্যমে শিল্পকারখানা গড়ে তুলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান হাইটেক পার্ককে কার্যকর করে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান বাড়ানোর কথাও বলেন তিনি। তিনি পদ্মা নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষিভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

পরিবহন খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডা. জাহাঙ্গীর বলেন, রাজশাহী-ঢাকা রুটে একক রেললাইন থাকায় সময়সূচি ঠিক রাখা যায় না। এ কারণে রাজশাহী থেকে সরদহ পর্যন্ত ডুয়েল গেজ লাইন চালু এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

এছাড়া রাজশাহী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে কার্গো ভিলেজ স্থাপনের পরিকল্পনার কথা বলেন, যাতে আমসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য সহজে বিদেশে রপ্তানি করা যায় এবং প্রবাসী ও হজযাত্রীদের যাতায়াত সহজ হয়। নৌপরিবহন উন্নয়নে পদ্মা নদীতে ড্রেজিং করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তার মতে, এতে কৃষি ও যোগাযোগ উভয় খাতেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। গণসংযোগে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।