ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২৬ - ১১:৫০ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে বেড়েছে মুরগির দাম

  • আপডেট: Friday, February 6, 2026 - 9:40 pm

স্টাফ রিপোর্টার: সরবরাহ কমায় সপ্তাহের ব্যবধানে রাজশাহীতে বেড়েছে মুরগির দাম। এছাড়া অন্যান্য সামগ্রীর দাম অপরিবর্তীত রয়েছে।

শুক্রবার রাজশাহী মহানগরীসহ এর উপকন্ঠের বাজার গুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে কমেছে মুরগির সরবরাহ। বিক্রেতারা বলেন, টানা শৈত্যপ্রবাহে ক্ষতি হয়েছে খামারের মুরগির।

এতে সরবরাহ কমায় বাজারে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। কেজিতে ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০, সোনালী ২৬০ থেকে ২৮০, দেশি মুরগি ৪৭০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এদিকে বাজারে গতকাল প্রতিহালি সাদাডিম ২৮/৩০ এবং লালডিম ৩০/৩২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এতে ক্রেতারা স্বস্তিতে থাকলেও খামারিরা বলছেন, এই ডিম পাইকারদের কাছে তারা আরো কমদামে বিক্রি করছেন। এতে তাদের উৎপাদন খরচ উঠছে না।

এদিকে এই সপ্তাহে দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল প্রতিকেজি ফুলকপি ৪০ থেকে ৪৫, বাধাকপি প্রতিপিস ২৫/৩০, সিম প্রতিকেজি ৪০, টমেটো ৫০ থেকে ৬০, আলু নতুন ২০ থেকে ২৫, বেগুন ৪০ থেকে ৫০, ঢেড়স ৫০, শশা ৬০, মিস্টি কুমড়া ৪০, প্রতিপিস লাউ ৩০, চাল কুমড়া ৩০, আদা ১০০, রসুন ৯০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১১০, পেঁয়াজ নতুন ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

প্রতিকেজি ছোটমাছ ২০০ থেকে ৪০০, সিলভার কার্প ১৩০ থেকে ১৬০, পাঙ্গাস ১৫০ থেকে ১৮০, রুই-কাতলা ২৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি গরুর মাংস ৭ ’শ থেকে ৭৫০, খাসির মাংস ৯’শ’ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া গতকাল নগরীর কুমারপাড়ার চালের আড়ত গুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি গুটিস্বর্ণা ৫১/৫২, পারিজা/ লালস্বর্ণা ৫৮ থেকে ৬০, আটাশ ৭২, মিনিকেট ৮২, নাজির শাইল ৯৩ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

খুচরা বাজারে প্রতিকেজি গুটিস্বর্ণা ৫৩ থেকে ৫৪, পারিজা/ লালস্বর্ণা ৬০ থেকে ৬২, আটাশ ৭৪, মিনিকেট নতুন ৮৫, নাজির শাইল ৯৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এদিকে আটা খোলা ৪৫ থেকে ৫০, প্যাকেট ৫২ থেকে ৫৫, প্রতিলিটার সয়াবিন খোলা ১৮০ থেকে ১৮৪, বোতলজাত ১৯৮ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।