ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২৬ - ৩:০২ পূর্বাহ্ন

বাগমারায় এনজিও পরিচালক মাহাবুর হত্যাকাণ্ডে মামা-ভাগ্নে গ্রেপ্তার

  • আপডেট: Wednesday, February 4, 2026 - 11:59 pm

বাগমারা প্রতিনিধি: বাগমারায় এনজিও পরিচালক মাহাবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামা-ভাগ্নে উজ্জল হোসেন ওরফে কাজল ও মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তারা দুইজনেই নিহত মাহাবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে। উজ্জল হোসেন ওরফে কাজল নরদাশ ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আর মোয়াজ্জেম হোসেন একই গ্রামের হযরত আলীর ছেলে।

গত সোমবার ও মঙ্গলবার রাতে হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঢাকের মোড় ও পানিয়া মোড় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশের কাছে এনজিও পরিচালক মাহাবুর রহমানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কাজল ও তার মামা মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আরো কয়েকজন জড়িত আছে বলেও তারা জানায়।

হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইানচার্জ রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চত করে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এনজিও’র টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে মাহাবুরকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে গ্রেপ্তার হওয়া উজ্জল হোসেন কাজল ও তার মামা মোয়াজ্জেম হোসেন।

বাগমারার বেসরকারি এনজিও আশারা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির নির্বাহী পরিচালক মাহাবুর রহমান গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নরদাশ ইউনিয়নের ঢাকের মোড়ের কার্যালয় থেকে নিখোঁজ হন। ওই সময় এনজিও’র সভাপতি সাদ্দাম হোসেনও অফিসে ছিলেন।

শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজের পর হাট বাইগাছা-ভবানীগঞ্জ রোর্ডের রামপুর গ্রামের তিন মাথার মোড় সংলগ্ন একটি কলা বাগানের মধ্যে মাহাবুর রহমানের গলা কাটা লাশ পাওয়া যায়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত মাহাবুর রহমানের বড় ভাই জেকের আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে বাগমারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ওই এনজিও’র সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও তার সহযোগী মাধনগর গ্রামের মাছচাষি লালুকে আটক করা হলেও জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে গ্রেপ্তার হওয়া উজ্জল হোসেন কাজল ও মোয়াজ্জেম হোসেনকে গতকাল বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।