ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২৬ - ২:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

হাজিরা দিতে এসে আদালত প্রাঙ্গনে বাদীকে হেনস্থার অভিযোগ

  • আপডেট: Tuesday, February 3, 2026 - 1:03 am

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে পাওনা টাকা আদায় সংক্রান্ত প্রায় ছয় বছর ধরে চলমান একটি চেক ডিজঅনার মামলার হাজিরা দিতে এসে মামলার বাদী আদালত এলাকায় হামলা ও হেনস্থার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে জানান, আদালতে চলমান মামলার হাজিরা দিতে গেলে ঋণগ্রহীতা আক্তার আলী ও তার সহযোগীরা তাকে ভয়ভীতি দেখান এবং মামলা ও থানায় দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করেন। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম ঋণগ্রহীতা আক্তার আলীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও আটজনকে অভিযুক্ত করে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের রাজপাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, থানায় অভিযোগ দেয়ার পরও ভুক্তভোগীকে নিয়মিত হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য নানামুখী অনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পারিবারিক ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনের কথা বলে সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা ধার নেন আক্তার আলী। তিনি বাদীর প্রতিবেশী চাচা। ঋণের বিপরীতে জনতা ব্যাংকের একটি চেক জামানত হিসেবে প্রদান করেন আক্তার আলী।

পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম উক্ত চেকটি নগদায়নের জন্য জনতা ব্যাংক লিমিটেডের দুর্গাপুর শাখায় তার ব্যাংক হিসাবে জমা দিলে পর্যাপ্ত তহবিল না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে চেক রিটার্ন মেমোর মাধ্যমে চেকটি ফেরত দেয়। ডিজঅনার হওয়া চেকটির নম্বর এসবি-১০/এফএন-৭৮১৩৪৫২।

এরপর আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাইফুল ইসলাম গত ৪ অক্টোবর ২০২১ তারিখে বিবাদীর ঠিকানায় একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেন। তাতেও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। বর্তমানে চেক ডিজঅনার মামলাটি রাজশাহী জেলা যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে, যার মামলা নম্বর ১৭০/২০২২।

এ বিষয়ে রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, আমি বর্তমানে থানার বাইরে আছি। থানায় ফিরে অভিযোগের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।